বিজ্ঞাপন

খাজা মইনুদ্দিন চিশতীর বংশধর লিখলেন দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট

July 27, 2021 | 7:54 pm

এরশাদুল হক টিংকু

সুফি সাধক খাজা মইনুদ্দীন চিশতীর বংশধর শাহীন চিশতীর প্রথম উপন্যাস দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট। ব্রিটিশ-ভারতীয় এই লেখকের এটিই প্রথম উপন্যাস। ইংরেজি ভাষায় লিখিত সুপাঠ্য এই বইটি প্রকাশ করেছে নিম্বল বুকস।

বিজ্ঞাপন

শাহীন চিশতি লন্ডনে বসবাসরত একজন লেখক। তিনি বরাবরই নারী ক্ষমতায়ন বিষয়ক একজন সাহসী প্রবক্তা। বিশ্ব-সমাদৃত এই ব্যক্তিত্ব কিছুদিন আগে তার প্রথম উপন্যাস ‘দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট’ প্রকাশ করেছেন। যা লিঙ্গ বৈষম্য, জাতিগত নিপীড়ন, যুদ্ধকালীন দুর্দশা ও নারী মুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর লেখা।

খাজা মইনুদ্দিন চিশতীর বংশধর লিখলেন দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট

বিজ্ঞাপন

লেখকের ভাষ্যমতে, যাদের জীবন মেয়ে, নাতনী অথবা যে কোনো নারীর সাথে সম্পৃক্ত, এ বইটি তাদের জন্য। দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট-এ তিনটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটের তিনজন নারীর বাস্তব ঘটনার আলোকে লেখা অভিজ্ঞতার কথা বলা হয়েছে। যেখানে তারা নারীদের সামাজিক মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেন, কারণ তারা নিজেদের নাতনিদের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যত গড়তে চান। এ বইতে আছে হেলগার কথা, যিনি হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা একজন নারী। আছেন কমলা, যার জন্ম বাংলার ১৯৪৩ সনের দুর্ভিক্ষে, আর আছেন ল্যানেট, যার জন্ম উইন্ডরাশ প্রজন্মে। এই নারীরা প্রথমবারের মতো নাতনিদের তাদের ফেলে আসা জীবনের ঘটনা শোনান; তাদের সাহস জোগাতে, স্বপ্নের কাছে নির্ভয়ে এগিয়ে যাওয়ার আশা দিতে।

খাজা মইনুদ্দিন চিশতীর বংশধর লিখলেন দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট

বিজ্ঞাপন

দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট-এর লেখক শাহীন চিশতী বলেন, 'প্রথম বই প্রকাশ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট আমার ভালোবাসার কাজ। আশা রাখছি আমার এই কাজ নারী ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ বৈষম্য নিয়ে সবাইকে সচেতন করবে। সৌভাগ্যবশত আমি এমন কিছু নারীর মধ্যে বেড়ে উঠেছি, যারা আজকের আমাকে গড়ে তুলেছেন। আমি এই বইটা তাদের এবং পৃথিবীর সব নারীকে উৎসর্গ করেছি। দুঃখের কথা হচ্ছে আজকের দিনে এসেও অসংখ্য নারী তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত, যা অতি দ্রুত পরিবর্তন হওয়া উচিত। আশা করছি আমার এই বই এ পরিবর্তনে অবদান রাখতে পারবে। আমি এমন একটা বই লিখতে চেয়েছি যা জাতি-বর্ণ-ধর্মের উর্ধ্বে গিয়ে সবাইকে এক করতে পারবে। হেলগা, কমলা, ল্যানেট-এর জন্ম হয়তো পৃথিবীর আলাদা আলাদা স্থানে কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে প্রতিদিন পৃথিবীর অসংখ্য নারীকে যেতে হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, একদিন এ অবস্থার পরিবর্তন হবে। সব পরিচয়ের উর্ধ্বে মানুষ ‘মানুষ’ হিসেবেই পরিচিতি পাবে।'

সারাবাংলা/আরএফ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন