বিজ্ঞাপন

‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি চটজলদি হয়েছে’

August 22, 2021 | 2:34 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ব্যানার সরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরিশালে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা বিচ্ছিন্ন বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন যে বিবৃতি দিয়েছে তা চটজলদি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (২২ আগস্ট) দুপুরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বরিশালের বিষয়টি একান্তই স্থানীয়। সেখানে তড়িৎ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্তে বেরিয়ে আসবে আসলে কী ঘটেছিল। তার আগে বিশেষ কিছু বলার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।

বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগের মেয়রকে আসামি করা হয়েছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হলো কী না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি একটি স্থানীয় ঘটনা, বিচ্ছিন্ন বিষয়। মামলা যে কারো বিরুদ্ধে হতে পারে। ইতোপূর্বে অনেক মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এটি প্রথম নয়, বহু মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলা হলে সেটি তদন্তে বেরিয়ে না আসা পর্যন্ত এটি নিয়ে কিছু বলা সমীচীন নয়। অভিযোগ দায়ের হতে পারে, অভিযোগ সঠিক কী না সেটি তদন্তের পর বেরিয়ে আসবে।

প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠনের বিবৃতির ভাষাসহ সার্বিকভাবে কোনো সংকট আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই কোনো সংকট নেই। তবে অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিটা চটজলদি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

‘সরকারের পায়ের নিচে মাটি সরে গেছে’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই বক্তব্যের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সবসময় এ ধরনের কথা বলেন। আওয়ামী লীগের শিকড় অনেক গভীরে। জনগণের সমর্থন নিয়ে ধস নামানো বিজয়ের মাধ্যমে ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করেন। তারপর দুটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হয়েই সরকার গঠন করে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিয়ে বিরোধীদলের আসনের বসতে পারেনি। আসলে পায়ের তলার মাটি বিএনপির সরে গেছে।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা কখনো বিএনপির বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেইনি। বিএনপির মধ্যে অনেক দুস্কৃতিকারী আছে। যারা পেট্রোল বোমা মেরেছিল তারা আছে। বিএনপির কেউ যদি ব্যক্তিগত অপরাধের কারণে, নৈতিক স্খলনের কারণে বা ফৌজদারি অপরাধের কারণে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করে, সেটিকে বিএনপি রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করে। এটি কখনোই সমীচীন নয়।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/জেআর/এএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন