বিজ্ঞাপন

চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়ার মরদেহ থাকার ‘প্রমাণ দিলেন’ ফখরুল

August 28, 2021 | 9:28 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের মরদেহ থাকার ‘প্রমাণ দিলেন’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিজ্ঞাপন

‘চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমান লাশ নেই’- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মন্ত্রীদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে একজন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে শনিবার (২৮ আগস্ট) রাতে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনায় নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি।

বিএনপির স্বাধীনতা সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির উদ্যোগে ‘২৮ আগস্ট ১৯৭১: জিয়াউর রহমান কর্তৃক রৌমারীতে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের প্রথম বেসামরিক প্রশাসনের উদ্বোধন’ শীর্ষক এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিষয়বস্তুর উপর তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন দলের তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক একেএম ওয়াহিদুজ্জামান।

আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মরদেহ সম্পর্কে যে কথাগুলো এখন তারা বলছে, সে সম্পর্কে আমি একটা প্রমাণ তুলে ধরতে চাই। চট্টগ্রাম থেকে তার দেহ তোলা হয় তারপরে তার পোস্ট মোর্টেম করা হয়। ডা. তোফায়েল আহমেদ তার পোস্ট পোর্টম করেছিলেন এবং ২২টি বুলেট তার শরীর থেকে বের করেছিলেন।’

বিজ্ঞাপন

‘তার পরে বিগ্রেডিয়ার আসম হান্নান শাহ (প্রয়াত) জিয়াউর রহমানের মরদেহ সামরিক এয়ার ক্রাফটে করে কুর্মিটোলায় নিয়ে এসেছিলেন, যেটা আমরা সবাই স্বচক্ষে দেখেছি। এসএ বারী এটি (উপ-প্রধানমন্ত্রী)’র প্রাইভেট সেক্রেটারি হিসেবে আমিও সেখানে উপস্থিত ছিলাম। সেখান থেকে আমরা তার দেহ দেখেছি’- বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আজকে এই ধরনের কথাবার্তা বলার একটাই উদ্দেশ্য- সেটা হচ্ছে যে, ইতিহাসকে বিকৃত করে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে সরিয়ে দেওয়া। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছবি দেখাতে বলেছেন। উনাদের ছবিটাও কি উনারা দেখাতে পারবেন?’

বিজ্ঞাপন

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের এখন কোনো রাজনীতি নাই। তারা অন্তঃসারশূন্য একটা রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। তারা জনগণের কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। তারা করোনার সমস্যার সমাধান করতে পারেনি, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। অর্থনীতি একেবারে রসাতলে যাচ্ছে। জনগণের কল্যাণের জন্য, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য তারা কোনো কাজই করতে পারেনি। আমাদের সব অর্জন তারা ধ্বংস করে দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এই অবস্থা উত্তরণে সবাইকে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই সরকার বেশি দিন যদি থাকে বাংলাদেশ আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। সেজন্য আমাদের প্রয়োজন জনঐক্য সৃষ্টি করা। ১৯৭১ সালে যেমন জিয়াউর রহমান জনযুদ্ধ শুরু করেছিলেন, সেই রকম জনযুদ্ধের জন্য আমাদের ঐক্য সৃষ্টি করতে হবে, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য।’

বিজ্ঞাপন

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির আহবায়ক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আব্দুস সালামের পরিচালনায় আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমিরুউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও চিলমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী সরকার।

সারাবাংলা/এজেড/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন