বিজ্ঞাপন

শিক্ষামন্ত্রী জানালেন সংক্রমণ বাড়লে স্কুল বন্ধ রাখা হবে

September 11, 2021 | 3:15 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আগের দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছিলেন, স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার পর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লে ফের তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। একই কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিও।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান করলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার সম্ভাবনা কম। এরপরও যদি সংক্রমণ বেড় যায়, প্রয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবারও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে জামালপুর সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষামন্ত্রী জানালেন সংক্রমণ বাড়লে স্কুল বন্ধ রাখা হবে

করোনাভাইরাস মহামারির শুরুতে গত বছরের মার্চে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। প্রায় দেড় বছর পর রোববার থেকে আবার সব খুলে দেওয়া হচ্ছে। তার প্রস্তুতি এখন চলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে।

বিজ্ঞাপন

এ অবস্থায় বছরের শেষ ভাগে এসএসসি ও এইচএসসির পাশাপাশি পঞ্চমের প্রাথমিক সমাপনী, অষ্টমের জেএসসি-জেডিসি এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।

দীর্ঘ দেড় বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন পাঠদান চালু ছিল জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ ছিল। তবে পড়ালেখা বন্ধ ছিল না। টেলিভিশন ও অনলাইনের মাধ্যমে পড়ালেকা চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। এজন্য পরীক্ষা নেওয়া হলেও কারও সমস্যা হবে না।

বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সেটি করতে পারলে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কম থাকবে। আর কোনো শিক্ষার্থী বা তার পরিবারের কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে বা উপসর্গ থাকলে তাদেরকে বিদ্যালয়ে না পাঠানোর অনুরোধ করছি আমরা।

এর আগে, পৌর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে জামালপুর যান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ছাড়াও তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খানও সেখানে উপস্থিত আছেন।

বিজ্ঞাপন

সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার পর শিক্ষামন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এই নেতারা পৌর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেন।

সারাবাংলা/টিএস/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন