বিজ্ঞাপন

‘ফখরুল ভাবেন, তিনি হুইসেল বাজালেই মানুষ রাস্তায় নেমে পড়বে’

September 11, 2021 | 5:00 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ওপর দলের কর্মীদেরই আস্থা নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পদক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ডাক দিলেই মানুষ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বে— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘উনার বক্তব্যে মনে হচ্ছে উনি কিংবা সাতসমুদ্র তেরো নদীর ওপাড় থেকে তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হুইসেল বাজাবেন, তাহলেই মানুষ রাস্তায় নেমে পড়বে। আসলে মির্জা ফখরুল সাহেব জেগে জেগে যে স্বপ্ন দেখেন এবং প্রতিনিয়ত অবান্তর কথা বলেন। সেটিরই বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে তার এই বক্তব্য। নিজেরা নিজেরা মারামারি করে যেই দলের অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়, সেই দলের মহাসচিবের এমন বক্তব্য হাস্যকর।’

বিজ্ঞাপন

পরিদর্শনের পর বেতারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রটি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে। কালুরঘাটে যে ট্রান্সমিটার ব্যবহার করে তৎকালীন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন, সেই ট্রান্সমিটারটি এখন চট্টগ্রামের পুরনো সার্কিট হাউসে রাখা হয়েছে। এই ট্রান্সমিটারটা আগে যেখানে ছিল, সেই কালুরঘাট বেতারের ট্রান্সমিশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হবে। সেখানে একটি ছোট জাদুঘরও করা হবে।’

ট্রান্সমিটারটি কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন এম এ হান্নান। পরবর্তীতে ২৭ মার্চ আওয়ামী লীগ নেতারা একজন সেনা অফিসারকে দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করানোর জন্য মেজর জিয়াউর রহমানকে খুঁজে বের করেন। এরপর তাকে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করানো হয়েছিল।’

বিজ্ঞাপন

‘এম এ হান্নানের বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠের পর পুরো জাতি ও বিশ্ববাসী জেনেছিল যে-বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। বাংলাদেশ যে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র সেটি চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমেই দেশবাসী এবং বিশ্ববাসী জেনেছিল। এটি একটি ঐতিহাসিক বেতার কেন্দ্র’— বলেন হাছান মাহমুদ।

সম্প্রতি মানুষের মধ্যে রেডিও শোনার অভ্যাস আবার ফিরে এসেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এখন মোবাইল ফোনে অ্যাপসের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে বেতারের অনুষ্ঠান শোনা যায়।’

বিজ্ঞাপন

মতবিনিময় সভায় বেতারের আবাসিক প্রকৌশলী নিত্য প্রকাশ বিশ্বাস, আঞ্চলিক পরিচালক এস এম মোস্তফা সরোয়ার, উপ-বার্তা নিয়ন্ত্রক মো. জাকির হোসেন ছিলেন।

সারাবাংলা/আরডি/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন