বিজ্ঞাপন

মেট্রোরেল প্রকল্পের মালামাল চোর চক্রের ১১ জন গ্রেফতার

September 13, 2021 | 7:49 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর শাহ আলী এলাকা থেকে মেট্রোরেল প্রকল্পের মালামাল চুরির সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ১১ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৪)।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে র‌্যাব-৪ এর একটি দল রাজধানীর শাহ আলী থানার বেরিবাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় চুরি যাওয়া ১৮টি আইবিমসহ একটি ট্রাক ও প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।

র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেক হক জানান, ঢাকা মহানগরীর শাহ আলী থানা এলাকায় সংঘবদ্ধ একটি চোরাকারবারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে মেট্রোরেল প্রকল্প ছাড়াও সরকারের আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের আইবিমসহ লোহা, ইস্পাত, তার, মেশিন কৌশলে চুরি করে বিভিন্ন ভাঙারি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতো।

বিজ্ঞাপন

ওই সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বেরিবাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৮টি আইবিম যার ওজন ৪০ টন (বাজার মূল্য ২৫ লাখ টাকা), ১টি ট্রাক, ১টি প্রাইভেটকার, নগদ ৪ লাখ ২৩ হাজার টাকা ও ১৬ টি মোবাইলসহ সংঘবদ্ধ চোরাকারবারী চক্রের ১১ জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলো- মোতালেব শিকদার (৫৪), নজরুল ইসলাম (৪৪), হাবিব উল্লাহ ভুঁইয়া (৪৩), ওয়ালীউল্লাহ ওরফে বাবু (৪১), দালাল চক্রের সদস্য সুমন ঘোষ (৪৩), আব্দুল্লাহ আল মামুন (৪৮), আব্দুস ছাত্তার (৫৮), মো. আশিক (৩১), আমজাদ হোসেন রাজন (৩৬), মো. মনির (৪০) ও মো. রিয়াজুল (২০)।

বিজ্ঞাপন

চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক বলেন, ‘গত কয়েক বছর যাবত ঢাকাসহ আশপাশ জেলাসমূহে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পের কার্যক্রম চলাকালে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ স্তুপ আকারে থাকাকালে সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি দলটি চুরি করে তাদের পছন্দ মতো গোপন একটি জায়গায় নিয়ে এসে সেগুলো সহজে বহনযোগ্য করে বিভিন্ন ক্রেতাদের কাছে তা বিক্রয় করে থাকে।’

চোরাই চক্রটি মূলত এই চুরির কাজটি কয়েক ধাপে সম্পন্ন করে থাকে। প্রথমে এই চোরাকারবারিরা সুকৌশলে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেই অনুযায়ী চুরির পরিকল্পনা করে। পরে চক্রটি প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রজেক্টের আরোও অন্য লোকজনের সহায়তায় বিভিন্ন উপকরণ সুবিধা বুঝে সুযোগ মতো চুরি করে তাদের পছন্দ মতো গোপন একটি জায়গায় নিয়ে লুকিয়ে রাখে।

বিজ্ঞাপন

চোরাইকৃত মালামাল কেনা-বেঁচার কাজটি সম্পন্ন করা হয়ে থাকে ইচ্ছুক ক্রেতারা। এতে চোরাই চক্রটি তাদের চোরাইকৃত পরিবর্তন ও পরিবর্ধনকৃত মালামাল তাদের পূর্বে থেকে নির্ধারিত ক্রেতাদের নিকট একটি নির্দিষ্ট মূল্যের বিনিময়ে বিক্রয় করে থাকে। চোরাই চক্রসহ অন্য চক্রের আরও অনেক পলাতক আসামি রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সারাবাংলা/ইউজে/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন