বিজ্ঞাপন

ক্ষমতাসীনরা গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে

September 15, 2021 | 11:39 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ৫০ বছর আগে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম নেয় বাংলাদেশ। অথচ, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে। ভূলুণ্ঠিত হয়েছে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমান ক্ষমতাসীনরা গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। জনগণের সব ধরনের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছে তারা। নির্বাচন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সকল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেশে একনায়কতান্ত্রিক স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এ দেশের জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না।

বিজ্ঞাপন

মান্না বলেন, মানুষের বাক স্বাধীনতা-সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। গুম-খুন-বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বেড়েই চলেছে। বিরোধী শক্তির ওপর অত্যাচার-দমন-পীড়ন-নির্যাতন-জেল-জুলুম অতীতের যে কোন সময়ের সীমা অতিক্রম করেছে। ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে বর্তমান সরকার ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে।

তিনি আরও বলেন, করোনা মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ সরকার নিজেদের গদি টিকিয়ে রাখতে দেড় বছর ধরে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এখন পর্যন্ত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

বিজ্ঞাপন

সরকারি দল আর তাদের অনুগত আমলা-প্রশাসন দুর্নীতি আর অপশাসনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রকে পুরোপুরি ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে উল্লেখ করে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক বলেন, এ পরিস্থিতিতে দেশ এবং দেশের জনগণকে বাঁচাতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কোন বিকল্প নেই।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ বছর বিশ্ব গণতন্ত্র দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হলো: ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলায় গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা জোরদার করা। আমাদের দেশের জন্য প্রয়োজন স্বৈরাচার সরকারকে হটিয়ে একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। নাগরিক ঐক্য জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সব সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এএইচএইচ/একেএম

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন