বিজ্ঞাপন

লেকসিটি হাউজিং: ১৫ বছর পার করে অনিয়ম খোঁজার তাগিদ

September 21, 2021 | 7:59 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: প্লট বিক্রির ১৫ বছর পর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) লেকসিটি হাউজিং সোসাইটিতে প্লট বরাদ্দে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর টাইগারপাসে চসিকের অস্থায়ী কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে লেকসিটি হাউজিং সোসাইটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপে মেয়র অনিয়ম তদন্তের ঘোষণা দেন।

চট্টগ্রাম নগরীর বিশ্বকলোনি এলাকায় ২৫ দশমিক শূন্য ৯ একর ভূমির ওপর লেকসিটি আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলে সিটি করপোরেশন। ২০০৬ সাল থেকে এ প্রকল্পের প্লট বিক্রি শুরু হয়। প্রকল্পটিতে প্লট আছে ৫৪৮টি। প্লটগুলো বিক্রি করে ক্রেতাদের কাছ থেকে ৮৯ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে করপোরেশন। ক্রেতারা পুরো অর্থ পরিশোধ করেও তাদের কাঙ্ক্ষিত প্লট গত ১৫ বছরে বুঝে পাননি।

বিজ্ঞাপন

বিষয়টি দুঃখজনক উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ‘১৬ বছর আগে সিটি করপোরেশন লেকসিটি হাউজিংয়ে প্লট বরাদ্দের উদ্যোগ নেয়। করপোরেশনের হিসেবে, সেখানে প্লট থাকার কথা আড়াই কাঠা করে ১০২টি। টাকা জমা দেওয়া গ্রাহকদের মধ্যে প্লট বুঝে পেয়েছেন ৪৪৮ জন। ৯৮ জন এখনো তাদের প্লট বুঝে পাননি।’

‘নিয়মানুযায়ী সবারই প্লট পাওয়ার কথা, যেহেতু সবাই টাকা জমা দিয়েছেন। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে- কাঠাপ্রতি ৬ লাখ টাকা করে জমা দিয়ে অনেকে প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন, আবার অনেকে ৮ লাখ টাকা করে জমা দিয়েও প্লট পাননি। আবার এর মধ্যে করপোরেশনের অনেক সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাও প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন বলে অভিযোগ আছে। লেকসিটি হাউজিং সোসাইটির সদস্য ছাড়া করপোরেশনের কোনো কর্মকর্তা ও বাইরের কেউ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বা দুর্নীতির মাধ্যমে প্লট পেয়েছে কি না- তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিজ্ঞাপন

মেয়র বলেন, ‘প্লটের জন্য আগে যারা টাকা জমা দিয়েছেন, তাদের বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বাড়তি টাকা জমা দিলে প্লট বরাদ্দ দেয়া যায় কি না ভেবে দেখা হবে। করপোরেশন কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়। এই প্রতিষ্ঠানটি জনগণের করের উপর নির্ভরশীল। আর বর্তমানে করপোরেশনের আর্থিক সঙ্গতির বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।’

এসময় সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন, লেকসিটি হাউজিং সোসাইটির সভাপতি এ কে এম মুজিবুল হক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. আফাজউল্লাহ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরডি/এনএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন