বিজ্ঞাপন

পিপিই ও টিটি খাতে বাংলাদেশের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে

October 12, 2021 | 9:31 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে টেকনিক্যাল টেক্সটাইল (টিটি) এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামাদী (পিপিই) খাতের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীতে এই দুই খাতের উৎপাদনে নজর দেওয়া হলে করোনার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পোশাক খাত ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে। পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সহযোগিতায় জার্মান উন্নয়ন সংস্থা, জিআইজেড পরিচালিত ‘বাংলাদেশে ব্যক্তিগত সরঞ্জামাদি (পিপিই)সহ টেকনিক্যাল টেক্সটাইলের উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভব্যতা’ শীর্ষক গবেষণায় এ কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) ‘বাংলাদেশে ব্যক্তিগত সরঞ্জামাদি (পিপিই)সহ টেকনিক্যাল টেক্সটাইলের উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভব্যতা’ শীর্ষক গবেষণার তথ্য এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

এতে বলা হয়, বিগত বছরগুলো জুড়ে বাংলাদেশ বিশ্ব বাজারে টেক্সটাইল ও পোশাকখাতের অন্যতম বৈশ্বিক সরবরাহকারী হিসেবে তার অগ্রণী অবস্থান নিশ্চিত করেছে। চলমান করোনা মহামারি সত্ত্বেও এখন এই অবস্থান ধরে রাখাই দেশটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ পরিস্থিতিতে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং মূল্য সংযোজন করা যেতে পারে, যদি কিনা খাতটি টেকনিক্যাল টেক্সটাইল (টিটি) এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামাদি (পিপিই) উৎপাদনের দিকে নজর দেয়।

বিজ্ঞাপন

জিআইজেড বাংলাদেশের টেক্সটাইল ক্লাস্টার কোঅর্ডিনেটর ওয়েরনার ল্যাঙ্গে বলেন, ‘নতুন বাজারে প্রবেশে বাংলাদেশকে সহায়তা করার সার্বিক কৌশলগুলো শেয়ার করতে পেরে আমরা গর্বিত।’

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘শিল্প টেকনিক্যাল টেক্সটাইল ও পিপিইর সম্প্রসারণশীল বাজার ধরতে প্রস্তুত আমরা। টেকনিক্যাল টেক্সটাইল ও পিপিই খাতে যৌথ বিনিয়োগ আমরা স্বাগত জানাই। সেইসঙ্গে ব্র্যান্ড, টেস্টিং সার্ভিসেস কোম্পানি এবং প্রযুক্তি সররবাহকারীদের সহায়তা নিয়ে এই সম্ভাবনাকে আমরা বাস্তবে রূপ দিতে চাই।’

বিজ্ঞাপন

কমপ্লায়েন্ট হওয়ার স্বীকৃতি এবং ইইউ ও মার্কিন বাজারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ট্রেডিং পার্টনার হিসেবে অর্জিত খ্যাতিকে পুঁজি করার জন্য গবেষণায় বাংলাদেশকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রোস্টার, বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, সহ-সভাপতি মিরান আলী, জিআইজেড বাংলাদেশের টেক্সটাইল ক্লাস্টার কোঅর্ডিনেটর ওয়েরনার ল্যাঙ্গে এবং জিআইজেড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর এনজেলিকা ফ্লেডডারমেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ইএইচটি/পিটিএম

বিজ্ঞাপন

Tags:

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন