বিজ্ঞাপন

কমনওয়েলথ ফাইন্যান্স মিনিস্টারস মিটিংয়ের সভাপতি হলেন অর্থমন্ত্রী

October 13, 2021 | 4:22 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আগামী ২০২২ সালের কমনওয়েলথ ফাইন্যান্স মিনিস্টারস মিটিংয়ের (সিএফএমএম) সভাপতি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মু্স্তফা কামাল। মালয়েশিয়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব এবং ব্রুনেই-এর সমর্থনে ২০২২-এর কমনওয়েলথ ফাইনান্স মিনিস্টারস মিটিংয়ের জন্য তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১৩ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিশ্ব ব্যাংক–আইএমএফ এর বার্ষিক সভা-২০২১ এর সাইড লাইনে ১২ অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যায় কমনওয়েলথ অর্থমন্ত্রীদের একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অ্যান্টিগুয়া এবং বার্বুডার প্রধানমন্ত্রী গ্যাস্টন ব্রাউন। সভায় কমনওয়েলথভুক্ত ৫৪টি দেশের অর্থমন্ত্রীরা এবং উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মু্স্তফা কামাল বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। সভায় ২০২২ সালের কমনওয়েলথ অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ লাভ করায়, বাংলাদেশের সর্বস্তরের সকল নাগরিকের পক্ষ থেকে অর্থমন্ত্রী ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অর্থমন্ত্রী সভায় অবহিত করেন যে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে গত এক দশক গড়ে ৭.৪% অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এমনকি অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ মহামারিকালে গতবছর যেখানে বৈশ্বিক অর্থনীতি ৩% সংকুচিত হয়েছে, এমন ক্রান্তিকালেও বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশ শীর্ষ পাঁচটি সহনশীল অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘গত মাসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সভার টেকসই উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলন ২০২১-এ আমাদের উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে এসডিজি প্রগ্রেস অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করেছে।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কমনওয়েলথের একটি গৌরবময় অতীত আছে, ১৭৬৯ সালে যুক্তরাজ্য থেকে বাষ্প ইঞ্জিন আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রথম শিল্প বিপ্লবের যাত্রা, যা সত্যিই বিশ্ব অর্থনৈতিক উন্নয়নের শিখা জ্বালিয়েছিল। ১৭৭১ সালে সত্যিকারের কারখানা বলতে যা বোঝায় সেটি প্রথম যুক্তরাজ্যের ডার্বিশায়ারের ক্রমফোর্ড নামক গ্রামে নির্মিত হয়েছিল। সর্বজনবিদিত একটি সত্য হচ্ছে, সপ্তদশ শতাব্দীতে কমনওয়েলথভুক্ত ভারত উপমহাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ ছিল।’

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/জিএস/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন