বিজ্ঞাপন

জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনায় আইন হচ্ছে

October 19, 2021 | 4:28 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনায় আইন করতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২১’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘জাকাত তহবিল গঠন করা হবে। তহবিলের অর্থ সরকারিভাবে সংগৃহীত হবে। প্রবাসী বাংলাদেশি, বিদেশি কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা থেকে প্রাপ্ত অর্থ যে কোনো তফসিলি ব্যাংকের জাকাত ফান্ডে জমা দিয়ে যাকাত আদায় করতে পারবেন। আর একটি বোর্ড থাকবে। ধর্মমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এটির চেয়ারম্যান থাকবেন।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘সুরা তাওবায় প্রিসাইসলি সাতটি ক্যাটাগরি করে দেওয়া হয়েছে। সেই সাত ক্যাটাগরির যে কোনো এক ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত হলেই একজন ব্যক্তি জাকাত দিতে পারবেন। বিভিন্ন ইসলামিক দেশগুলোতে বোর্ড আছে। অনেকেরই হতো ব্যক্তিগতভাবে দেওয়ার সুযোগ থাকে না, সে হয়ত জাকাত ফান্ডে দিয়ে দিলো। তখন জাকাত ফান্ড তার পক্ষে জাকাত আদায় করে দেবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটি তো কোরআনে পরিষ্কার বলে দেওয়া হয়েছে যে, তোমার যখন সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা ওই পরিমাণ টাকা যদি এক বছর থাকে তাহলে আড়াই শতাংশ জাকাত দিতে হবে। সেটি যদি ব্যক্তিগতভাবে দিলো তো দিলো, না হলে সরকারের ফান্ডে দিলে সেটিও দিতে পারবে।’

বিজ্ঞাপন

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আপনি যখন হজে যাবেন আপনি কিন্তু কোরবানি করতে যাবেন না। আপনি টাকা জমা দিয়ে দেবেন। ব্যাংক একটা টাইম দিয়ে দেবে ১০ তারিখ এতটার সময় আপনার কোরবানি হয়ে যাবে। সে জন্য এ সিস্টেমটা পুরো পৃথিবীতেই আছে।’

আইনটিতে ১৪টি ধারা রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সরকারিভাবে জাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ করা হবে এবং আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারিভাবে জাকাত দানে উদ্বুদ্ধ করা হবে। জাকাত সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন, জাকাত দানে আগ্রহী ব্যক্তিদের জাকাতযোগ্য সম্পদ ও প্রত্যয়ন প্রদানের বিষয় খসড়া আইনে রয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘জাকাত বোর্ডে সদস্য থাকবে ১০ জন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি করে দেবে ইসলামি ফাউন্ডেশন বা ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে। কালেকশন ও ডিস্ট্রিবিউশনটা তারা করবেন। কাকে কাকে কীভাবে দেবে এটি তারা ঠিক করবে। তাদের একটি অ্যাকাউন্ট থাকবে, সেখান থেকে তারা সংগ্রহ করবে।’

সারাবাংলা/এজেড/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন