বিজ্ঞাপন

টুর্নামেন্ট সেরা ওয়ার্নার, ফাইনাল সেরা মার্শ

November 15, 2021 | 1:58 am

স্পোর্টস ডেস্ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে নিশ্চয় খুব বেশিজন ভাবেননি যে এবার শিরোপা জিতবে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশে এসে নাস্তানাবুদ হয়েছেন অজিরা। তাছাড়া ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভেন স্মিথের মতো দলের অন্যতম সেরা ক্রিকেটাররা ছিলেন অফ ফর্মে। সেই দলটাই আজ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের উল্লাসে মাতোয়ারা। বিশ্বকাপ শিরোপার সঙ্গে টুর্নামেন্ট সেরা ও ফাইনাল সেরার পুরস্কারও গেছে অজি শিবিরে। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। ফাইনাল সেরার পুরস্কার জিতেছেন মিচেল মার্শ।

বিজ্ঞাপন

অফ ফর্মের কারণে ওয়ার্নার দল থেকে বাদ পড়বেন কিনা এমন প্রশ্নও উঠেছিল। বিশ্বকাপের আগে অনুষ্ঠিত আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের একাদশে জায়গা হারিয়েছিলেন তিনি। তবে অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, ওয়ার্নারের ওপর পুরো ভরসা আছে তার। ভাগ্যিস ভরসা রেখেছিল অস্ট্রেলিয়ার টিম ম্যানেজমেন্ট!

বিশ্বকাপে এক পাকিস্তানের বাবর আজমই কেবল ওয়ার্নারের চেয়ে বেশি রান করতে পেরেছেন। ৭ ম্যাচ খেলে তিনটি ফিফটির সাহায্যে ২৮৯ রান করেছেন অজি তারকা। গড় ৪৮.১৬, স্ট্রাইকরেট ঈর্শনীয়- ১৪৬.৭০।

বিজ্ঞাপন

সবচেয়ে বড় কথা ওয়ার্নার রান করেছেন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সুপার টুয়েলভের ম্যাচে ৬৫ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে করেছিলেন অপরাজিত ৮৯। সেমিফাইনালে তার ব্যাটেই পাকিস্তান বধের ভিত্তি পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, মহাগুরুত্বপূর্ণ ৪৯ রান করেছিলেন। আজ ফাইনালে খেললেন ৫৩ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। টুর্নামেন্ট সেরা হিসেবে তাই ওয়ার্নারকে বেছে নিতে বেগ পেতে হয়নি নির্বাচকদের।

ফাইনাল সেরা হওয়া মিচেল মার্শ ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসটাই আজ খেলেছেন। ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি দলে অভিষেক হলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ৩৬ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন মার্শ। দলে নিয়মিত হতে না পারাই এর কারণ। দলে ছিলেন আসা-যাওয়ার মধ্যেই। সম্প্রতি অবশ্য দলে জায়গা করে নিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

টানা খেলতে থাকার সুফলই কিনা, আজ ফাইনালের নায়ক বনে গেলেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের ১৭২ রানের জবাব দিতে নেমে শুরুতেই অ্যারন ফিঞ্চের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। তবুও ৭ বল বাকি থাকতে মাত্র দুই উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করাতে মার্শের বড় অবদান।

৫০ বল খেলে ৬টি চার ৪টি ছয়ে ৭৭ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন মার্শ। বিশ্বকাপের ফাইনাল সেরার পুরস্কারটা তাই মার্শের হাতে তুলে দিতে দুবার ভাবতে হয়নি কাউকে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএইচএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন