বিজ্ঞাপন

‘ছোটখাটো বিচ্ছিন্ন ঘটনা সম্প্রীতি বন্ধনে বিভেদ আনতে পারবে না’

November 20, 2021 | 9:39 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: দুর্গাপূজায় বিভিন্ন মণ্ডপে ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘ছোটখাটো বিচ্ছিন্ন ঘটনা আমাদের সম্প্রীতির বন্ধনে কখনো বিভেদ তৈরি করতে পারেনি এবং পারবে না।’

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শঙ্করমঠ ও মিশনের শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত যুব সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুর্গাপূজার সময় যারা দেশে বিভেদ সৃষ্টি করতে চেয়েছে তারা স্বাধীনতার শত্রু, এদের পূর্বপুরুষ স্বাধীনতা চায়নি, এরা আমাদের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। এরা এখনও পাকিস্তানি ভাবধারা মনে ধারণ করে, এরা দেশের শত্রু, এদের চিহ্নিত করতে হবে। অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে সাম্প্রদায়িকতার স্থান নেই।’

বিজ্ঞাপন

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা পাকিস্তান থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছিলাম একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র রচনা করার জন্য। দেশভাগ হয়েছিল সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে, মুসলমানদের জন্য একটি রাষ্ট্র, হিন্দুদের জন্য একটি রাষ্ট্র। আমরা যখন পাকিস্তান রাষ্ট্রব্যবস্থায় ছিলাম তখন আমরা অনুধাবন করেছি, এই রাষ্ট্রব্যবস্থা আমরা বাঙালিদের জন্য নয়। কারণ আমরা বাঙালিরা মনে করি, আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা বাঙালি, আমাদের দ্বিতীয় পরিচয় আমরা কে কোন ধর্মাবলম্বি। কিন্তু পাকিস্তান রাষ্ট্রব্যবস্থায় ধর্মীয় পরিচয়কে মুখ্য করে নেওয়া হয়েছিল। সেটির সাথে আমরা বাঙালিরা মানিয়ে নিতে পারিনি।’

সাম্প্রদায়িক হামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজ যারা সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়, ধর্মীয় বিভাজন তৈরি করে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরী করতে চায়, তারা শুধু সমাজের শত্রু নয়, তারা রাষ্ট্রেরও শত্রু। কারণ এই রাষ্ট্র রচিত হয়েছে অসাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে।’

বিজ্ঞাপন

সরকার চাইলে বিএনপি নেত্রীকে বিদেশ নিতে পারবেন- বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে অনুষ্ঠান শেষে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কথায় মনে হচ্ছে আইন-আদালত কোনো কিছুরই দরকার নেই, সরকার চাইলেই খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠাতে পারে। এরা নিজেরা কোনো আইন-আদালত মানে না, সেই কারণেই তারা এধরনের লাগামহীন ও দায়িত্বহীন কথা বলতে পারে। তাহলে কি সরকারকে জজকোর্ট, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকাও পালন করতে হবে?’

যুব সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন শঙ্করমঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ তপনানন্দ গিরি। এতে সীতাকুণ্ড উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আল মামুনও বক্তব্য রাখেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরডি/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন