বিজ্ঞাপন

বঙ্গবন্ধু চত্বর ঘিরে পথচারীবান্ধব সড়কের পরিকল্পনা মেয়র তাপসের

December 1, 2021 | 8:16 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বঙ্গবন্ধু চত্বর ও সংলগ্ন এলাকার অলিগলি বিবেচনায় নিয়ে পথচারীবান্ধব সড়ক পরিকল্পনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, নটর ডেম শিক্ষার্থী নাঈম হাসানের নিহত হওয়ার জায়গাটি আমরা পরিদর্শন করেছি। এখানে (বঙ্গবন্ধু চত্বর) আগে থেকেই পাতালে পথচারী চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি বিভিন্নভাবে দখলের কারণে অকার্যকর হয়ে আছে। এর কারণে যাত্রী ও জনগণ রাস্তার ওপর দিয়ে পারাপারে বাধ্য হয়। এজন্য আমাদের নতুনভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে। পুরো বঙ্গবন্ধু চত্বর ও আশপাশের অলিগলি নিয়েই একটি সড়ক পরিকল্পনা করতে হবে। না হলে কোনো উদ্যোগই এখানে কার্যকর হবে না।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) সাপ্তাহিক নিয়মিত পরিদর্শন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মেয়র করপোরেশনের ময়লারবাহী গাড়ির ধাক্কায় নিহত নটর ডেম শিক্ষার্থী নাঈম হাসানের দুর্ঘটনাস্থলে পথচারী পারাপারের সেতু নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনের সময় তিনি এ কথা জানান।

বিজ্ঞাপন

বঙ্গবন্ধু চত্বর ঘিরে পথচারীবান্ধব সড়কের পরিকল্পনা মেয়র তাপসের

মেয়র তাপস আরও বলেন, গুলিস্তানে আগেও অনেক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনোটিই ফলপ্রসূ ও কার্যকর করা যায়নি। এখানে কয়েকমুখী যাতায়াত ব্যবস্থা দেখা যায়। প্রতিটি যাতায়ত ব্যবস্থাকে কার্যকর পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে উদ্যোগ নেব। আমরা নিজস্ব অর্থায়নেই সেই কার্যক্রম শুরু করব।

বিজ্ঞাপন

এক প্রশ্নের জবাবে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, আমাদের বিশেষজ্ঞ মহলের মাধ্যমে পরিপূর্ণ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও পরিবহন পরিকল্পনার মাধ্যমে সুদূরপ্রসারী চিন্তা করতে হবে। কেবল একটি কিছু করে ফেললেই তা কাজে আসবে না। আমরা চাই কার্যকর ব্যবস্থা। তবে এখানে আমরা যেটাই (স্থাপনা) করি, সেটি আমাদের মেধাবী ছাত্র নাঈম হাসানকে উৎসর্গ করব।

হকারদের পথচারী চলাচলের পথ দখল করে রাখার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, যেকোনো শহরেরই একটি বড় সমস্যা— হাঁটার পথ, রাস্তাগুলো দখল হয়ে যায়। বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহল ও হকাররা এগুলো দখল করে থাকে। এ বিষয়েও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিতে হবে। কারণ হকারদের একদিক থেকে উঠিয়ে দিলে তারা নতুন করে আবার জায়গা নিয়ে নেয়। তাদের পুনর্বাসনের জন্যও চিন্তা করতে হবে। তাদের জায়গা দিতে হবে যেন তারা উপার্জন করতে পারে। আমরা এগুলো নিয়ে আলাপ করছি।

বিজ্ঞাপন

এর আগে মেয়র তাপস নগরীর ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডে অন্তবর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র এবং বাস রুট র‌্যাশনালাইজেশন কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মতিঝিলে নির্মিত যাত্রী ছাউনি পরিদর্শন করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর সিতওয়াত নাঈম, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহমদ, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আনিক ও ওয়ার্ডগুলোর কাউন্সিলর ও নারী কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ইউজে/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন