বিজ্ঞাপন

নায়ক ইমনকে এবার র‌্যাব সদর দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ

December 7, 2021 | 7:32 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: প্রতিমন্ত্রী ও চিত্রনায়িকার সঙ্গে কথোপকথনের একটি ফোনকলের রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এবারে চিত্রনায়ক ইমনকে ডেকে নিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র‌্যাব)।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ইমন র‍্যাব সদর দফতরে পৌঁছান। র‌্যাব সদর দফতরের মিডিয়া শাখার সহকারী পরিচালক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান হেসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইমরান হোসেন বলেন, অডিও ক্লিপ ফাঁসের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নায়ক ইমনকে ডাকা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন-

নায়ক ইমনকে এবার র‌্যাব সদর দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ

বিজ্ঞাপন

এর আগে, একই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে ইমনকে ডেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে। ডিবির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানিয়েছেন, প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সদ্য পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া ডা. মুরাদ হাসানকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রোববার (৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে ওই ফোনকলের অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়ে পড়ে। অডিওতে চিত্রনায়ক ইমন ও চিত্রনায়িকা মাহির সঙ্গে ডা. মুরাদ হাসানকে কথা বলতে শোনা যায়। কথোপকথনের একপর্যায়ে মাহিকে তার সঙ্গে হোটেল সোনারগাঁওয়ের রুমে দেখা করার জন্য আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। মাহি নিজে থেকে না গেলে প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে তাকে উঠিয়ে নেওয়ার হুমকি দেন মুরাদ হাসান। মাহির উদ্দেশে যৌন সহিংস কথাও বলতে শোনা যায় তাকে।

বিজ্ঞাপন

এরই মধ্যে চিত্রনায়ক ইমন এবং চিত্রনায়িকা মাহি দু’জনেই এই ফোনালাপ নিয়ে কথা বলেছেন। ইমন সারাবাংলাকে বলেন, একজন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তো অশালীনভাবে কথা বলতে পারি না। ওনার মতো এত বড় একজন মানুষ ফোন দিলে তো আমি একটু নার্ভাস থাকব, ঠিক না? আমার জায়গা থেকে আমি এটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

নায়ক ইমনকে এবার র‌্যাব সদর দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ

অন্যদিকে ওমরাহ করতে সৌদি আরবে অবস্থানরত মাহি ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তায় বলেন, এটা ঠিক দুই বছর আগের একটি ঘটনা ছিল। বরাবরের মতো আমি আল্লাহ্‌র কাছে বলেছি, আল্লাহ্‌ আমি কষ্ট পেয়েছি। যার মাধ্যমে কষ্টটা পেয়েছি, কোনো না কোনো মাধ্যমে তিনি তার রেজাল্টটা পেয়েছেন। এটি প্রমাণিত। আলহামদুলিল্লাহ্‌।

এই ফোনালাপ ছড়িয়ে পড়ার আগেই এক ফেসবুক লাইভে যুক্ত হয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লন্ডনে পলাতক তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়েও অশালীন মন্তব্য করেন ডা. মুরাদ হাসান। সব মিলিয়ে অনলাইন-অফলাইনে তিনি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবিও ওঠে।

এর মধ্যে সোমবার (৬ ডিসেম্বর) ডা. মুরাদকে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি নিজ দফতরে সেই পদত্যাগপত্র জমা দেন। বিকেলে সেটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পৌঁছেছে। পরে সন্ধ্যায় এক জরুরি বৈঠক থেকে ডা. মুরাদকে স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ।

সারাবাংলা/ইউজে/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন