বিজ্ঞাপন

আদিবাসী-পুলিশ সংর্ঘষ, আহত ১৫

December 7, 2021 | 10:27 pm

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

বগুড়া: জেলার নন্দীগ্রাম সদর উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের দাসগ্রামে (বৃন্দাবনপাড়া) চোলাই মদ উদ্ধারে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে আদিবাসীদের সংর্ঘষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাত পুলিশসহ আহত হয়েছেন ১৫ জন। পরে ওই এলাকা থেকে ১৮ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে ওই সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে।

দাসগ্রামের আদিবাসী পল্লীর জাম্বু মাহাতো বলেন, শনিবার তার দুই মেয়ে পাতা মাহাতো ও লতা মাহাতোর বিয়ে। বিয়ে উপলক্ষে সামাজিক রীতি অনুযায়ী বর পক্ষের জন্য বাড়িতে চোলাই মদ তৈরি করে রাখতে হয়। মঙ্গলবার রাতে পুলিশের একটি দল তার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় আদিবাসীদের ঘর তল্লাশি কালে নারী-পুরুষ নির্বিচারে মারপিট করতে থাকে পুলিশ। এতে আদিবাসীরা ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায় আদিবাসীরা সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশকে ঘিরে ফেলে। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। সুজন মাহাতো নামের এক জনকে আটক করে পুলিশ। এসময় জাম্বু মাহাতোর বাড়ি থেকে ১৮ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

পুলিশি হামলায় আদিবাসীদের মধ্যে হরিদাস মাহাতো, ভক্তি রানী মাহাতো, অন্তরা মাহাতোসহ সাত-আট জন আহত হন। অপরদিকে, নন্দীগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিমসহ সাত পুলিশ আদিবাসীদের হামলায় আহত হয়েছেন। এসআই রেজাউল করিমকে গুরুতর আহত অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপর ছয় পুলিশ সদস্য স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনার পর আদিবাসী পল্লীর অর্ধশতাধিক নারী পুরুষ স্থানীয় দাসগ্রাম বাজারে অবস্থান নিয়ে পুলিশি হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাদের হেফাজত থেকে চোলাই মদ উদ্ধার করতে গেলে আদিবাসীরা পুলিশের উপর হামলা করে। এতে সাত পুলিশ আহত হন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন