বিজ্ঞাপন

নাসিক নির্বাচন: ৮ মেয়রসহ ২১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

December 16, 2021 | 2:39 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আগামী ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (এনসিসি) নির্বাচনে ৮ জন মেয়র প্রার্থীসহ ২১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মেয়র, সংরক্ষিত ও সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে এসব মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়।

বিজ্ঞাপন

নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও এই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মতিয়ুর রহমান গতকাল বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন সন্ধ্যায় এ তথ্য জানান।

ইসি সূত্র জানায়, নাসিক সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মেয়র পদে আটজন, নয়টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ৩৬ জন এবং ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ১৬৬টি মনোনয়ন জমা পড়েছে।

বিজ্ঞাপন

মেয়র পদে যে আটজন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন- বাংলদেশ আওয়ামী লীগের সেলিনা হায়াৎ আইভী, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মো. রাশেদ ফেরদৌস, খেলাফত মজলিসের এ বি এম সিরাজুল মামুন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মো. মাছুম বিল্লাহ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. জসীম উদ্দিন এবং স্বতন্ত্রভাবে তৈমুর আলম খন্দকার, মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ, মো. কামরুল ইসলাম।

গতকাল বুধবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন প্রার্থীরা। গত ৩০ নভেম্বর এই সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে কমিশন। ইসি‘র ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই হবে আগামী ২০ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় আগামী ২৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে আগামী ২৮ ডিসেম্বর এবং ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি।

বিজ্ঞাপন

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে সিটি করপোরেশন হিসেবে যাত্রা শুরুর পর এবার হচ্ছে তৃতীয় নির্বাচন। প্রথমবার ৯টি ওয়ার্ডে ইভিএমে, বাকিগুলোতে ব্যালট পেপারে ভোট হয়। ২০১৬ সালে সব কেন্দ্রে ব্যালট পেপারে এবং এবার সব কেন্দ্রে ভোট হবে ইভিএমে। ২০১১ সালের ৫ মে সিদ্ধিরগঞ্জ, কদমরসূল ও নারায়ণগঞ্জ পৌরসভাকে ২৭টি ওয়ার্ডে বিন্যস্ত করে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়। ওই বছরেরই ২৩ জুন দেশের সপ্তম সিটি করপোরেশন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে এই সিটি করপোরেশন। চার মাস পর ৩০ অক্টোবর প্রথমবারের মতো ভোট হয় নাসিকে। ওই নির্বাচনে মেয়র পদে জয় পান ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। সেবার তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। তবে তিনি মাঝপথেই ভোট বর্জন করেন। আর দু’জনে দলীয় সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করলেও ভোট ছিল নির্দলীয়।

সারাবাংলা/জিএস/এনএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন