বিজ্ঞাপন

লঞ্চ-জাহাজের ফিটনেসের তথ্য হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশ

December 28, 2021 | 2:29 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: লঞ্চ, জাহাজের ইঞ্জিনসহ অভ্যন্তরীণ নৌযানের ফিটনেস বিষয়ক সব তথ্য ৯০ দিনের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন লাগার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিগুলোর প্রতিবেদন ৩০ দিনের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া লঞ্চ দুর্ঘটনায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে কেউ ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করলে স্ব স্ব জেলা প্রশাসককে তা বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি লঞ্চ দুর্ঘটনা রোধে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে আদালত রুল জারি করেছেন।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত পৃথক দু’টি রিটের একসঙ্গে শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ, আইনজীবী অনিক আর হক, আইনজীবী আবু রায়হান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আরও পড়ুন:

বিজ্ঞাপন

লঞ্চ দ্রুত তীরে ভেড়ালে এত প্রাণহানি হতো না: ফায়ার সার্ভিস

 

বিজ্ঞাপন

এর আগে, গতকাল (২৭ ডিসেম্বর) লঞ্চ, জাহাজসহ নৌযানের ইঞ্জিনের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। রিটে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামের লঞ্চে আগুন লাগার ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৌমিত্র সরদার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন।

বিজ্ঞাপন

স্বরাষ্ট্র সচিব, নৌ পরিবহন সচিব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক, বিআইডব্লিওটিএ’র চেয়ারম্যান এবং লঞ্চের মালিক হামজালাল শেখকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

লঞ্চ দ্রুত তীরে ভেড়ালে এত প্রাণহানি হতো না: ফায়ার সার্ভিস

এছাড়া লঞ্চে আগুনে হতাহতের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর অপর রিট আবেদনটি দায়ের করেন আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। রিটে ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিচারিক অনুসন্ধানের জন্য কমিশন গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়।

নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআইডব্লিওটিএ’র চেয়ারম্যান এবং লঞ্চের মালিক হামজালাল শেখকে রিটে বিবাদী করা হয়।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার সদরঘাট থেকে বরগুনার পথে ছেড়ে যায় এম‌ভি অভিযান-১০। দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর গাবখান ধানসিঁড়ি এলাকায় লঞ্চটিতে আগুন লাগে। ওই লঞ্চ থেকে ৩৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার শিকার আরও দু’জন মারা গেছেন পরে। গুরুতর দগ্ধ কমপক্ষে ৯০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে বর্তমানে ১৫ জন ভর্তি আছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক

সারাবাংলা/কেআইএফ/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন