বিজ্ঞাপন

আইডি কার্ড দেখালেই ভ্যাকসিন নিতে পারবেন শিক্ষার্থীরা

January 10, 2022 | 1:08 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: স্কুলের আইডি কার্ড কিংবা রেজিস্ট্রেশন কার্ড থাকলেই শিক্ষার্থীরা করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন  শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, জন্ম সনদের যে জটিলতা ছিল তা এখন আর নেই। বিষয়টি সহজ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানান। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের বারো থেকে আঠারো বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ১ কোটি ১৬ লাখ ২৩ হাজার। এদের মধ্যে ৪৮ লাখ ১৯ হাজার ৫৫৪ জন শিক্ষার্থীকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪৪ লাখ শিক্ষার্থীর, দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪১ লাখ ৯ হাজার ৫৫৪ জনের। সব মিলিয়ে বাকি আছে ৭৫ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ জন শিক্ষার্থীর। এই বাকি থাকা শিক্ষার্থীদের আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ হবে।

এদের মধ্যে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে শেষ হবে ৩৯৭ উপজেলার, ১৭ জানুয়ারির মধ্যে শেষ হবে আরও তিন উপজেলার, ২০ জানুয়ারির মধ্যে শেষ হবে আরও ৫৬ উপজেলার, ২২ জানুয়ারির মধ্যে শেষ হবে আরও ১৫ উপজেলার, ২৫ জানুয়ারির মধ্যে আরও ২৫ উপজেলার শেষ হবে এবং ৩১ জানুয়ারির মধ্যে বাকি থাকা ১১ উপজেলার শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ হলে সকল শিক্ষার্থী এর আওতায় চলে আসবে।

বিজ্ঞাপন

জাতীয়, আরবি এবং ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় বাদে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৫ ভাগ শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতীয়, আরবি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ভ্যাকসিনের বিষয়ে মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) বৈঠক ডাকা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এবার যে সকল শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে, গত বছর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা পরীক্ষা দিয়েছে অর্থাৎ যাদের আইডি কার্ড নেই তারা রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে কেন্দ্রে গেলেই ভ্যাকসিন নিতে পারবেন।’

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী বলেন, ‘শুরুর দিকে শিক্ষার্থীদের জন্ম সনদ নিয়ে সমস্যার তৈরি হয়। আমরা তা শেষ করতে পেরেছি। সে জটিলতা এখন এখন কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। শুধু তিনি যে শিক্ষার্থী, সেটি প্রমাণ করতে পারলেই ভ্যাকসিন নিতে পারবে।’

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘গত দুই সপ্তাহে করোনা সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বগতি। আমরা ভেবেছিলাম গেল বছরের মতো মার্চে বাড়বে, কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে জানুয়ারিতেই শুরু হলো। যদিও সারাবিশ্বে সংক্রমণ বাড়ছে। সে তুলনায় বাংলাদেশ অনেক ভালো।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘আমরা এসব বিষয় নিয়ে রোববার (৯ জানুয়ারি) করোনাভাইরাস সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। সেখানে কীভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে। ক্লাস কেমন হবে সে সব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অসুস্থ শিক্ষার্থীদের স্কুলে ডাকব না। তাদের জন্য বাসায় থেকেই অনলাইনে ক্লাস।’

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/জেআর/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন