বিজ্ঞাপন

বিধিনিষেধ সত্ত্বেও নির্ধারিত সূচিতেই হচ্ছে নাসিক নির্বাচন

January 11, 2022 | 8:45 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সরকার ১১ দফা বিধিনিষেধ জারি করলেও নির্ধারিত সময়েই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের ভোট নেওয়া হবে। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি বা বিধিনিষেধের কারণে এই নির্বাচনের দিনক্ষণ পরিবর্তন হবে না।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, আমরা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচন আয়োজন না করার মতো পরিস্থিত পাইনি। তাই কমিশন এখনো যথাসময়ে এই সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে।

বিজ্ঞাপন

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৬ জানুয়ারি নাসিক নির্বাচনের ভোট নেওয়া হবে। এরই মধ্যে এই নির্বাচন আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করে এনেছে নির্বাচন কমিশন। প্রার্থীরাও প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর পূর্ণোদ্যমে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে, নাসিক নির্বাচন সামনে রেখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা দুই দিনের জন্য নারায়ণগঞ্জ যাচ্ছেন। ইসির যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, আগামীকাল বুধবার (১২ জানুয়ারি) নাসিক নির্বাচনের দায়িত্ব পাওয়া প্রিজাইজিং কর্মকর্তাদর সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি। তাদের দিকনির্দেশনাও দেবেন। এছাড়া নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

বিজ্ঞাপন

নাসিকে ভোটের লড়াইয়ে মেয়র, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ও সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ১৮৯ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মেয়র পদে সাত জন, ৯টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ৩৪ জন এবং ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ১৪৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচনে মেয়র পদে সাত প্রার্থী হলেন— আওয়ামী লীগের ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মো. মাছুম বিল্লাহ, খেলাফত মজলিশের এ বি এম সিরাজুল মামুন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. জসীম উদ্দিন, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মো. রাশেদ ফেরদৌস এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার ও কামরুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয়রা বলছেন, নির্বাচনে মূল লড়াই হবে সেলিনা হায়াৎ আইভীর সঙ্গে তৈমুর আলম খন্দকারের। স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর মূলত বিএনপি নেতা। বিএনপি নির্বাচন বর্জন করলেও তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছেন। এ কারণে দল থেকে বহিষ্কৃতও হয়েছেন।

গত ৩০ নভেম্বর এই সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে কমিশন। ২০১১ সালে সিটি করপোরেশন হিসেবে যাত্রা শুরুর পর এবার তৃতীয়বারের মতো ভোট হচ্ছে এই সিটিতে। এর আগে দু’বারই ভোটে জিতেছিলেন ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ জিএস/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন