বিজ্ঞাপন

শাবিপ্রবিতে অনশনরত এক শিক্ষার্থী হাসপাতালে

January 20, 2022 | 2:06 pm

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

সিলেট: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে কাজল দাশ নামের এক শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আজ‌ও আন্দোলন চলাকালে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অনশনে থাকা ২৪ জনের মধ্যে কাজল দাশের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে সিলেট নগরীর মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী। গতকাল বিকেল ৩টা থেকে অনশন করে আসছিলেন। প্রায় ২১ ঘণ্টা না খাওয়া এবং তীব্র শীতের কারণে কাঁপুনি দিয়ে জ্বরও ছিল তার।

জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. বাবলু হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জ্বর ও ব্লাড পেশার কমে যাওয়ায় তার অবস্থা খুবই খারাপের দিকে যাচ্ছিল। তাই দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে শাবিপ্রবি চিকিৎসা কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. মাসরাবা সুলতানার নেতৃত্বে একদল স্বাস্থ্যকর্মী আন্দোলনস্থলে উপস্থিত রয়েছেন। তবে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তাদের চিকিৎসা নিতে অস্বীকার করেছেন।

ডা. মাসরাবা জানান, তারা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনস্থলের পাশেই পুরো সময় থাকবেন। তারা চাইলে তিনি তার দায়িত্ব পালন করতে চান।

বিজ্ঞাপন

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. আনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল শিক্ষক তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন, শিক্ষার্থীদের আহত করার ঘটনা তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন ও বিচারের দাবি তাদের‌ও। এতে উপাচার্যের নাম আসলে তিনিও বিচারের আওতায় থাকবেন।

এদিকে গতকাল বুধবার (১৯ জানুয়ারি) শাবিপ্রবি প্রশাসন ও বেগম সৈয়দুন্নেছা হলের প্রভোস্ট কমিটির বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করেছে শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, বিবৃতিতে মিথ্যাচার করা হয়েছে। সেখানে একবারও শিক্ষার্থীদের আহত হওয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয়নি।

বিজ্ঞাপন

গত রোববার বেগম সিরাজুন্নেছা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট প্রত্যাহার, অব্যবস্থাপনা দূরসহ ৩ দফা দাবিতে চলমান আন্দোলন থেকে ছাত্রীরা উপাচার্যকে ধাওয়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে তাকে উদ্ধারে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে আন্দোলনকারীদের। এ সময় পুলিশ গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনায় উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগের দাবিতে ওই রাতেই আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। আর পুলিশ শিক্ষার্থী উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

সারাবাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন