বিজ্ঞাপন

শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের অনশন চলবে

January 25, 2022 | 10:27 pm

সিলেট ও শাবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট

সহপাঠী ও আন্দোলনকারীদের অনুরোধেও আমরণ অনশন ভাঙতে রাজি হননি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২৮ শিক্ষার্থী। তারা বলছেন, উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের অনশন চলবে। মৃত্যু হলেও তারা পিছু হঠবেন না।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ সিদ্ধান্ত জানান শাহরিয়ার আবেদিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাহিদুল ইসলাম অপূর্ব ও সাবরিনা। তারা তিন জনই শাবিপ্রবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে অনশন করছেন।

ব্রিফিংয়ে শাহরিয়ার আবেদিন বলেন, আমাদের সঙ্গে যারা আন্দোলন করছেন, আমাদের সহপাঠী যারা রয়েছেন, তারা অনশন ভেঙে আন্দোলন চালিয়ে যেতে বলেছিলেন। কিন্তু উপাচার্য পদত্যাগ করার আগ পর্যন্ত আমাদের অনশন চলবে। আমরা যারা অনশন করছি, আমরা সবাই আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন-

শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের অনশন চলবে

বিজ্ঞাপন

গত বুধবার বিকেল থেকে অনশন করছেন শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা। এরই মধ্যে অনশনের ছয় দিন পেরিয়ে গেছে। অনশনরত ১৯ শিক্ষার্থী অসুস্থও হয়ে পড়েছেন। তাদের হাসপাতালে নেওয়া হলে তারা সেখানেও অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। বাকিরা শাবিপ্রবি উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অনশন করছেন। কিন্তু তাদের কারও শারীরিক অবস্থাও ভালো নয়।

এরকম পরিস্থিতিতে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত সহপাঠীরা অনশনরতদের প্রতি অনশন ভেঙে আন্দোলন চালিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আন্দোলনরত অন্য শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের আহ্বানে সাড়া নিয়ে অনশন ভাঙতেও পারেন ২৮ শিক্ষার্থী।

বিজ্ঞাপন

তবে ওই সময় অনশনরত শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে কিছুটা সময় চেয়ে নেন। ঘণ্টা দুয়েক পরে তারা ব্রিফিং করে জানালেন, অনশনেই অটল থাকছেন তারা। দাবি পূরণ না হলে তারা অনশন ভাঙবেন না।

এর আগে, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য সম্মিলিত শপথবাক্য পাঠ করেন অনশনরত শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, দাবি আদায় ছাড়া বিকল্প কোনো পদ্ধতিতেই তাদের অনশন ভাঙানো সম্ভব নয়।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, গত ১৩ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। এদিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের ছাত্রীরা।

পরে ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ছাত্রলীগ ছাত্রীদের আন্দোলনে হামলা চালায়। পরদিন বিকেলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি ভবনে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করলে তাদের উপর লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়ে পুলিশ। ওই দিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। তা উপেক্ষা করে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।

সারাবাংলা/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন