বিজ্ঞাপন

ব্যাংকারদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চায় বিএবি

January 26, 2022 | 6:37 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক বেঁধে দেওয়া ব্যাংকারদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চায় ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএবি‘র নেতারা সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন। তারা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া বেতনবিধি এখনই মানা ব্যাংকগুলোর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আগামী মার্চ মাস থেকে এ সিদ্ধান্ত মানাও ব্যাংকের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে। তাই এ বিষয়ে আরও বিশদ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সময় চেয়েছে বিএবি।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনা শেষে বের হয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক চমৎকার একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যাংকারদের আর্থসামাজিক অবস্থা, ব্যাংকের ভারসাম্য বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে চাই। এখনই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ব্যাংকের অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হতে পারে। তবে মার্চ থেকেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত মানা ব্যাংকগুলোর জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।’

অন্যদিকে বৈঠকের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখমাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, নির্দেশনা কার্যকরে বাড়তি সময়ের দাবি ভেবে দেখা হবে। তবে সার্কুলারের বিষয়ে যেসব অস্পষ্টতা ছিল উভয়পক্ষের আলোচনায় তা পরিষ্কার হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে এন্ট্রি পর্যায়ের বেতন-ভাতা নির্ধারণ ও পদোন্নতি, চাকরিচ্যুতি বিষয়ে ২০ জানুয়ারি নির্দেশনা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ওই সার্কুলারে বলা হয়, আগামী মার্চ থেকে ব্যাংকের এন্ট্রি পর্যায়ে সর্বনিম্ন বেতন ২৮ হাজার ও শিক্ষানবিসকাল শেষে ৩৯ হাজার টাকা। সেখানে শুধু আমানত সংগ্রহের লক্ষ্য অর্জন করতে না পারায় কাউকে পদোন্নতি বঞ্চিত বা চাকরিচ্যুত করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই নির্দেশনায় উল্লেখ করা ‘পদোন্নতি ও চাকরিচ্যুতি’ বিষয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার আবার স্পষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অদক্ষতার কারণে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা যাবে না বা অদক্ষদের পদোন্নতি দিতে হবে- এমন কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রমাণিত অভিযোগ থাকতে হবে। শুধু আমানত সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারা বা কোনো ধরনের প্রমাণিত অভিযোগ ছাড়াই অদক্ষতার অজুহাত দেখিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত অথবা চাকরিচ্যুত অথবা পদত্যাগে বাধ্য করা যাবে না।’

সারাবাংলা/জিএস/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন