বিজ্ঞাপন

‘বাকশাল করে শেষ রক্ষা হয়নি, ইসি আইন করেও হবে না’

January 27, 2022 | 5:30 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বাকশাল করে আওয়ামী লীগের শেষ রক্ষা হয়নি, নির্বাচন কমিশন আইন করেও তাদের শেষ রক্ষা হবে না— এমনটিই মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে সংসদে পাস হওয়া নির্বাচন কমিশন আইনের বিরোধিতা করে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এ আলোচনা সভা আয়োজন করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সেদিনও বাকশাল করেছিল নিজেদের বাঁচানোর আশায়, চেষ্টায়। আজও তারা নির্বাচন কমিশন আইন তৈরি করলেন। তারা ভাবছেন যে, বেঁচে যাবেন এই আইনটা পাস করে। কিন্তু তারা ভুলে গেলেন, বাকশাল করেও শেষ রক্ষা হয়নি। ঠিক একইভাবে এই নির্বাচন কমিশন আইন করেও তাদের শেষ রক্ষা হবে না।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘অনেকেই বাকশাল সম্পর্কে জানেন। কিন্তু নতুন যে প্রজন্ম- আমার স্থির বিশ্বাস তারা বাকশাল সম্পর্কে খুব একটা জানে না। তারা জানে- বাকশাল একটা খারাপ জিনিস, এটা আওয়ামী লীগ করেছিল। অথবা জানে যে, এই বাকশাল পরিবর্তন করে আমাদের শহিদ প্রেসডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু বাকশাল কেন, কোন পরিপ্রেক্ষিতে, কীভাবে করা হয়েছিল, এটা সবার জানা প্রয়োজন।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সারাক্ষণ, ২৪ ঘণ্টা মিথ্যা কথা বলে। সত্য কথা ওদের অভিধানে নেই। মিথ্য কথা বলতে গিয়ে সত্যগুলোকে অবলীলায় চাপা দিয়ে দেয়। বাকশাল গঠন হয়েছিল পার্লামেন্টে মাত্র ১১ মিনিটে। আমি এই মাত্র খবর পেয়েছি, আমাদের একজন সাংবাদিক বন্ধু বললেন, নির্বাচন কমিশন আইন নাকি এই মুহূর্তে পাস হচ্ছে বা হয়ে গেল।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘১৭ তারিখে মন্ত্রিসভায় পাস হয়েছে আইনটি, ২৩ তারিখে পার্লামামেন্টে দেওয়া হয়েছে। তারপর এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে সংসদীয় কমিটিকে, এটা সংযোজন বা পরিবর্তন কিছু থাকলে সেটা করার জন্য। এরপর ৪১ ঘণ্টাও সময় দেয়নি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাউজে নিয়ে এসে সেটাকে পাস করে দেওয়া হলো।’

‘আমরা পরিষ্কার করে বলেছি, এই আইন পাস করার কোনো এখতিয়ার এই সংসদের নেই। কারণ, এই সংসদ জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সংসদ নয়। সুতরাং এই আইন আমাদের কাছে নয়, সারা দেশের কাছে অগ্রহণযোগ্য। আর যে আইন মানুষ গ্রহণ করে না, সেটা কোনো আইনই না, এটা কেউ মানে নাই, কেউ মানবে না’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা জহিরউদ্দীন স্বপন প্রমুখ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এজেড/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন