বিজ্ঞাপন

উন্মুক্ত হলো সহিংসতায় আক্রান্তদের নিয়ে তথ্যভাণ্ডার ‘সংযোগ’

March 8, 2022 | 2:45 am

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দেশে বিপুলসংখ্যক নারী ও শিশু নানা মাত্রার সহিংসতার শিকার হলেও সুনির্দিষ্ট তথ্যের অভাবে তারা বিচার থেকে বঞ্চিত হন। একইসঙ্গে এসব সহিংসতার শিকার নারীরা পরে পুনর্বাসনসহ অন্যান্য সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হন। এমন প্রেক্ষাপটে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সহিংসতায় আক্রান্তদের জন্য পাইলট প্রকল্প ‘আর না’ ও তথ্যভাণ্ডার ‘সংযোগ’ উন্মুক্ত করল বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক। এতে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার তথ্য সংরক্ষণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (৭ মার্চ) ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক সংলাপে ‘আর না’ পাইলট প্রজেক্ট ও ম্যাপিং সার্ভিস ‘সংযোগ’ উন্মুক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, শুরুতে ব্র্যাকের ৫০টি শাখার কর্মীরা তাদের এলাকার মধ্যে সংগঠিত নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার তথ্য ‘আর না’ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জমা করতে পারবেন। এছাড়াও আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের কেস ম্যানেজার হিসেবে কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যেন তারা সহিংসতা থেকে বেঁচে যাওয়া নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় কাজ করবেন।

বিজ্ঞাপন

উন্মুক্ত হলো সহিংসতায় আক্রান্তদের নিয়ে তথ্যভাণ্ডার ‘সংযোগ’

ব্র্যাক বলছে, সহিংসতার শিকার নারীদের আইনি সহায়তাসহ আশ্রয়, চিকিৎসা বা পুনর্বাসনে সহায়তা করা হবে। অন্যদিকে সরকারি-বেসরকারি সেবা সম্পর্কে না জানার কারণে যারা করণীয় বুঝতে পারেন না, তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহায়তা করবেন ব্র্যাক কর্মকর্তারা।

বিজ্ঞাপন

প্রাথমিকভাবে রংপুর ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে সহিংসতা থেকে বেঁচে যাওয়া নারীদের সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ে সম্মিলিতভাবে সহায়তা পৌঁছাতে কাজ করবে এই প্রকল্পটি।

সহিংসতার শিকার নারী ও শিশুদের কী ধরনের সমর্থন প্রয়োজন এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থা কীভাবে সেগুলোর ব্যবস্থা করতে পারে, এ বিষয়গুলো অনুষ্ঠানে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

বিজ্ঞাপন

এসময় বলা হয়, সহিংসতার শিকার ব্যক্তির তাৎক্ষণিক, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সমর্থন প্রয়োজন হয়। অভিযোগ শোনার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করা, ১০৯/৯৯৯ হেল্পলাইনে কল করা, থানায় নিয়ে যাওয়ার মতো বিষয়গুলো তাৎক্ষণিক সহায়তার আওতায় পড়বে। মধ্যমেয়াদী সহায়তার মধ্যে রয়েছে চিকিৎসা সহায়তা, মানসিক সমর্থন, আইনি সহায়তা ও আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া। আর দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার আওতায় পড়বে পুনর্বাসন কার্যক্রম। উৎপাদনমুখী কাজে নিযুক্ত করা, সামাজিকভাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা ও পুনর্বাসনের মতো বিষয়গুলো এর অন্তর্ভুক্ত।

সংলাপে অংশ নেন ব্র্যাকের নির্বাহী আসিফ সালেহ, জেন্ডার জাস্টিস ও ডাইভার্সিটি প্রোগ্রামের পরিচালক নবনীতা চৌধুরী, সোশ্যাল কমপ্লায়েন্স ও সেফগার্ডিং ইউনিটের পরিচাওক জেনেফা জব্বার, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন, নারী পক্ষের সদস্য শিরীন হক, অভিনেতা আজমেরী হক বাঁধনসহ অনেকে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরএফ/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন