বিজ্ঞাপন

ঢাবির বঙ্গবন্ধু হলে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

March 14, 2022 | 3:34 pm

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রিত ‘গেস্টরুমে’ নির্যাতনের অভিযোগের ভিত্তিতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন। কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে দুই কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৪ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি সারাবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বঙ্গবন্ধু হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন।

তদন্ত কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন হলের সিনিয়র হাউজ টিউটর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবহান তালুকদার (উপল তালুকদার)। কমিটির বাকি তিন সদস্য হলেন— হলের আবাসিক শিক্ষক ড. সাইফুল হক, ড. আব্দুল খায়ের ও তানজিল শাহ।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন- ঢাবির বঙ্গবন্ধু হলে ‘গেস্টরুমে’ নির্যাতনের অভিযোগ

এর আগে, গত ১০ মার্চ রাতে আবু তালিব নামে দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে ‘সিনিয়রের সামনে সিগারেট খাওয়া’র অভিযোগে বঙ্গবন্ধু হলের ২০১(ক) নম্বর রুমে ডেকে নিয়ে স্টাম্প দিয়ে মারধর করার অভিযোগ ওঠে হল শাখা ছাত্রলীগের চার কর্মীর বিরুদ্ধে।

বিজ্ঞাপন

অভিযুক্ত চার ছাত্রলীগকর্মী হলেন— সমাজকল্যাণ বিভাগের শেখ শান্ত আলম, তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শাহাবুদ্দিন ইসলাম বিজয়, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ইমদাদুল হক বাঁধন ও আইন বিভাগের নাহিদুল ইসলাম ফাগুন। তাদের সবাই তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তারা বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদি হাসান শান্তর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

এ ঘটনার পর ভয়ে হল ছেড়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আবু তালিব। ঘটনার পরদিন থেকে আজ পর্যন্ত হলে যাননি তিনি। গণমাধ্যমকে আবু তালিব জানান, নিরপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে হলে যাচ্ছেন না তিনি।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, অভিযোগ তদন্তে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক ড. আবদুস সোবহান তালুকদার দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা এরই মধ্যে সত্য উদ্ঘাটনে কাজ শুরু করেছি। ভুক্তভোগী, অভিযুক্ত ও প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে আমরা তথ্য-প্রমাণসহ প্রাধ্যক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবো।

তদন্ত কমিটি প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন এলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার কোনো কারণ নেই। আমরা সব ব্যবস্থা নেব।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরআইআর/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন