বিজ্ঞাপন

বাজেটে অগ্রাধিকার কৃষি, কর্মসংস্থান ও অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগে

May 16, 2022 | 10:03 am

গোলাম সামদানী, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আগামী ২০২২-২৩ সালের অর্থবছরের বাজেটে দেশীয় শিল্পকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষি খাত যান্ত্রিকীকরণ, কর্মসংস্থান ও অভ্যান্তরীণ বিনিয়োগ বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিস্থিতি ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ সংকটজনিত উদ্ভূত পরিস্থিাতির কারণে সৃষ্ট মূল্যস্ফীতি মোকাবিলা প্রাধান্য পাচ্ছে এই বাজেটে। একইসঙ্গে অভ্যান্তরীণ বিনিয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্র বলছে, এছাড়াও আসছে বাজেটে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজগুলো বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার প্রস্তাবনা থাকছে। এর লক্ষ্য, দেশীয় শিল্প সম্প্রসারণ করা।

অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, আসছে বাজেটে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি আরও বেশি খাদ্য উৎপাদনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে কৃষির আধুনিকায়ন ও যান্ত্রিকীকরণ, সেচ ও বীজে প্রণোদনা বাড়ানো, কৃষি পুনর্বাসন ও সারে ভর্তুকি অব্যাহত রাখার প্রস্তাবনা থাকছে। এছাড়াও ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি করতে পল্লী উন্নয়নের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। বরাবরের মতো এবারের বাজেটেও করের বোঝা না বাড়িয়ে করের আওতায় বাড়ানোর প্রস্তবনা থাকছে।

বিজ্ঞাপন

সূত্র আরও জানায়, দক্ষ জনবল তৈরির জন্য আসছে বাজেটে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের জন্য গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে বরাবরের মতোই সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের আওতায় সম্প্রসারণ করে এই খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে।

এদিকে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষদের মধ্যে বিনামূল্যে ও স্বল্প মূল্যে খাদ্য বিতরণের আওতা বাড়ানোর প্রস্তাবনা রাখা হচ্ছে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ৯ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২২-২৩ অর্থবছরের এই বাজেট সংসদে উত্থাপন করবেন। এটি অর্থমন্ত্রীর টানা চতুর্থ এবং বাংলাদেশ সরকারের ৫২তম বাজেট। এবার প্রাথমিকভাবে ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, সবশেষ চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে ঘোষিত বাজেটের আকার ছিল ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। সে হিসাবে আগামী অর্থবছরে বাজেটের আকার বাড়ছে ১২ দশমিক ৮ শতাংশ।
নতুন প্রস্তাবিত বাজেটে মোট আয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি থাকছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা। ঘাটতির পরিমাণ মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি’র ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে ৭৪ হাজার ১৮৩ কোটি টাকা বেশি।

সারাবাংলা/জিএস/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন