বিজ্ঞাপন

প্রশংসায় ভাসছেন পুলিশের বিচ্ছিন্ন কবজি জোড়া লাগানো সেই চিকিৎসক

May 17, 2022 | 11:29 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আসামির দায়ের কোপে পুলিশ সদস্য জনি খানের বিচ্ছিন্ন হওয়া হাতের কবজি জোড়া লাগিয়েছেন জাতীয় অর্থোপেডিক ইনস্টিটিউটের হ্যান্ড মাইক্রোসার্জারি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাজেদুর রেজা ফারুকী।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৬ মে) রাতে দীর্ঘ ১১ ঘণ্টার অস্ত্রোপচারে জনি খানের হাতের কবজি জোড়া লাগানো হয়। ঢাকার আল-মানার হাসপাতালে ডা. সাজেদুর রেজার নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের একটি টিম এই অস্ত্রোপচারে অংশ নেন।

পুলিশ সদস্য জনি খানের বিচ্ছিন্ন কবজি জোড়া লাগানোয় ডা. সাজেদুর রেজা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রশংসায় ভাসছেন। তাকে নিয়ে প্রশংসামূলক পোস্ট দিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

আব্বাস উদ্নি নামে একজন লিখেছেন, চাট্টিখানি বিষয় নয়। টানা ১০ ঘণ্টার বেশি সময় এমন কঠিন কাজ নিয়ে পড়ে থাকা। তাও আবার অপারেশন শুরু হয়েছে হাত বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রায় একদিন পরে। তবে এমন অসাধারণ কাজটি সফলভাবে করেছেন ডা. সাজেদ। কেবল এই পুলিশ সদস্যর হাতই নয়, এর আগে এমন বহু জটিল অপারেশন করেছেন তিনি। একজন নিভৃতচারী চিকিৎসক সাজেদুর রহমান ফারুকী।

ডা. সাজেদুরের পরিচয় তুলে ধরে নজরুল ইসলাম নামে একজন লিখেছেন, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার দেহুন্দা গ্রামের সন্তান ডা. সাজেদুর রহমান ফারুকী। আইডিয়াল স্কুল, নটরডেম কলেজ হয়ে এমবিবিএস করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে। অর্থোপেডিকসে এমএস পাস করেন নিটোর থেকে। এর পর তিনি নিজস্ব অর্থায়নে ভারতের গঙ্গা ও বুম্বে হাসপাতাল এবং সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন।

বিজ্ঞাপন

কামরুন্নাহার কাজল লিখেছেন, এমন অসাধারণ কাজটি করেছেন ডা. সাজেদ। তবে অন্য কোনো প্রভাবশালী এর চেয়ে ছোট কাজ করলেও অভিনন্দনের বন্যায় এতক্ষণে ফেসবুক ভেসে যেত। কিন্ত চিকিৎসকদের বেলায় আমাদের কার্পণ্য রয়েছে।

তাপসী জামান লিখেছেন, ডা. সাজেদের জন্য এক পৃথিবী ভালোবাসা। এমন অসম্ভব কাজগুলো তার হাত দিয়ে আরও বেশি সম্ভব হোক। আরও অনেক সাজেদের সৃষ্টি হোক আমাদের দেশে।

বিজ্ঞাপন

গত রোববার (১৫ মে) মাদকের আসামি ধরতে গিয়ে দায়ের কোপের শিকার হন পুলিশ কনস্টেবল জনি খান। আহত হন আরও কয়েকজন। প্রথমে জনিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক বলেন, দা দিয়ে কোপ দিয়ে পালিয়ে যাওয়া মাদক মামলার আসামিকে ধরতে একাধিক টিম অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এরই মধ্যে ওই মাদক ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনিও একজন আসামি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ইউজে/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন