বিজ্ঞাপন

যমুনার পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই, শঙ্কা বন্যার

May 22, 2022 | 11:57 am

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

সিরাজগঞ্জ: অতিবর্ষণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে যমুনা নদীর পানি বেড়েই চলছে। এতে করে জেলার নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে তীব্র নদী ভাঙন। যেভাবে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এতে বন্যার আশঙ্কা করছেন শহর ও নদী পাড়ের মানুষ।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ এলাকায় ৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এখনো বিপৎসীমার ১ দশমিক ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে, পানি বৃদ্ধির কারণে নদী-তীরবর্তী অঞ্চল কাজীপুর, সদর, বেলকুচি, শাহজাদপুর, এনায়েতপুর ও চৌহালীতে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে জেলার চৌহালী, শাহজাদপুর, কাজীপুর ও এনায়েতপুরে ভাঙনের তীব্রতা বেশি। এতে করে বন্যার আশঙ্কা করছেন শহরবাসী। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
যমুনার পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই, শঙ্কা বন্যার
পাড় ভাঙছে যমুনা নদীর, ছবি: সারাবাংলা
বিজ্ঞাপন

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন বলেন, সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধসহ সব এলাকাতেই যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখন পর্যন্ত বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে যমুনার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হবে। তবে আরও দুই দিন এভাবেই পানি বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদীতে পানি বেড়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকায়। কিছু স্থানে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। তবে ভাঙন রোধে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। একইসঙ্গে ভাঙন রোধে ৩০ হাজার জিও ব্যাগ প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়াও ৯৬ হাজার জিও ব্যাগের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন