বিজ্ঞাপন

কনটেইনার ডিপোতে হতাহতের ঘটনায় শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরামের উদ্বেগ

June 6, 2022 | 11:30 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণে শ্রমিক ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীসহ ৪১ জন নিহত এবং প্রায় দুই শতাধিক আহতের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম (এসএনএফ)।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ জানিয়েছে সংগঠনটি। এতে বলা হয়, নিমতলি, চুড়িহাট্টাসহ বারবার এ জাতীয় ঘটনার পুনরাবৃত্তি কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা প্রমাণ করে। ফোরাম লক্ষ্য করছে যে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অদক্ষতা, অবহেলা, উদাসীনতার কারণে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, গত শনিবার (৪ জুন ২০২২) রাত ৯টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকায় বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও ডিপোর কর্মীরা কাজ করার সময় রাসায়নিক থাকা একটি কনটেইনার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয় এবং সারা রাত থেমে থেমে বিস্ফোরিত হতে থাকে। এ ঘটনায় আটকে পড়া প্রায় তিন শতাধিক মানুষ আহত হন এবং পরে শ্রমিক ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীসহ ৪১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বিজ্ঞাপন

ইতোপূর্বে ২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নিমতলীর নবাব কাটরায় রাসায়নিকের গুদামে লাগা আগুনে ১২৪ জন, ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর তাজরিন অগ্নিকাণ্ডে ১১২ জন, ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টার ওয়াহেদ ম্যানশনে রাসায়নিকের গুদামে ভয়াবহ আগুনে ৭১ জন এবং ২০২১ সালের ৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুডস লিমিটেড কারখানায় অগ্নিকান্ডে ৫১ জন প্রাণ হারায় এবং ৩৪ জন আহত হন।

এছাড়া গাজীপুরের টাম্পাকো, ঢাকার শ্যামপুরের আলম গার্মেন্টস, সোয়ারীঘাটের রোমা রাবার (জুতার কারখানা) সহ বিভিন্ন কারখানা/প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও সবার জানা। প্রকৃত দায়ী ও দোষী ব্যক্তিদের যথাযথ শাস্তি না দিয়ে বিচারহীনতার চর্চা এবং পরিদর্শন কর্তৃপক্ষের যথাযথ দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতা এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তির মূল কারণ বলেই প্রতীয়মান হয়।’

বিজ্ঞাপন

শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম এসব ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা, নিহত ও আহতদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের সুচিকিৎসার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

বিস্ফোরক আইনসহ অন্য আইনের সংস্কার ও যথাযথ বাস্তবায়ন, বিস্ফোরক পরিদফতরের সক্ষমতা বৃদ্ধির দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরএফ/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন