বিজ্ঞাপন

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা

June 9, 2022 | 4:48 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য 'বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২৯০০' নামে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় এ কথা জানিয়েছেন।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জলবায়ু পরিবর্তনসহ সৃষ্ট অন্যান্য ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য এটি একটি ব্যাপক পরিকল্পনা দলিল। ব-দ্বীপ পরিকল্পনার গতিশীল বাস্তবায়ন জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি প্রশমনে একটি প্রধান হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে এবং টেকসই উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের সম্ভাবনাকে ব‍্যাপকভাবে বৃদ্ধি করবে। কারিগরি ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা যার মাধ্যমে পানিসম্পদ, ভূমি, পরিবেশ ও ইকোলজির মতো সংবেদনশীল সম্পদের টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রাগুলো। অর্জনের পথনকশা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ব-দ্বীপ পরিকল্পনা প্রাথমিকভাবে ২০৫০ পর্যন্ত ডেল্টা এজেন্ডা ঘিরে প্রণীত হয়েছে এবং আজকের নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো ২০৫০ সাল বা তারপরেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে সে বিষয়টি এ পরিকল্পনায় বিবেচনা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ এর লক্ষ্যসমূহ: ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০-এ ৩টি জাতীয় লক্ষ্য এবং ৬টি ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে যা নিম্নরূপ ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ। ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়া।

বিজ্ঞাপন

এছাড়াও ব-দ্বীপ বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিপর্যয় থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পানির নিরাপত্তা এবং পানিসম্পদ ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি করা। টেকসই ও সমন্বিত নদী এবং মোহনা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। জলাভূমি এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং তাদের যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা। পানি সম্পদের দেশীয় ও আন্তঃদেশীয় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও ন্যায়সঙ্গত সুশাসন গড়ে তোলা। ভূমি ও পানি সম্পদের সর্বোত্তম ও সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এআই/ একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন