বিজ্ঞাপন

৯টি মৎস্যজাত দ্রব্য ও এর প্যাকেজিং উদ্ভাবন রাশি শিক্ষকদের

June 12, 2022 | 5:48 pm

রাবি করেসপন্ডেন্ট

পাঁচ ধরনের ৯টি মৎস্যজাত দ্রব্য এবং এসব দ্রব্যের জন্য উপযুক্ত প্যাকেজিং উদ্ভাবন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) অর্থায়নে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ফিশারিজ বিভাগের গবেষকরা এই সাফল্য পেয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১২ জুন) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের ওয়ার্কশপ রুমে একটি ‘রিসার্চ ফাইন্ডিং’ সেমিনারের মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

সেমিনারে জানানো হয়, ‘ডেভেলপমেন্ট অব ফিশ-বেজড ফুড প্রোডাক্ট’স অ্যান্ড এক্সটেনশন অব শেল লাইফ টু এনহ্যান্স নিউট্রিশনাল সিকিউরিটি’ শীর্ষক উপপ্রকল্পের অধীনে এই সাফল্য মিলেছে। সেমিনার শেষে বিশ্ববিদ্যালয় স্যুভেনির শপে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মৎস্যজাত দ্রব্যের বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার।

বিজ্ঞাপন

তিন বছর ধরে পরিচালিত এই গবেষণা কার্যক্রমে মুখ্য গবেষক ছিলেন ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তারিকুল ইসলাম। তার সঙ্গে সহ-গবেষক হিসেবে ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. ইয়ামিন হোসেন ও ড. সৈয়দা নুসরাত জাহান।

৯টি মৎস্যজাত দ্রব্য ও এর প্যাকেজিং উদ্ভাবন রাশি শিক্ষকদের

বিজ্ঞাপন

সেমিনারে জানানো হয়, চলমান এই উপপ্রকল্প তিনটি উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে। এগুলো হলো— স্বাদু পানি ও সামুদ্রিক মাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য তৈরি করা, মোডিফায়েড অ্যাটমোস্ফিয়ার প্যাকেজিং করে বিভিন্ন তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করে এসব দ্রব্যের গুণাগুণ ও স্থায়িত্বকাল নির্ণয় করা এবং প্যকেটজাত এসব মৎস্যদ্রব্য স্বল্প পরিসরে বিক্রি করার মাধ্যমে ভোক্তাদের গ্রহণযোগ্যতা নির্ণয় করা।

গবেষণায় তেলাপিয়া ফিশ বল ও টুনা ফিশ বলের স্থায়িত্বকাল যথাক্রমে ১৬ ও ১৮ দিন, পাঙ্গাশ ও ম্যাকেরেল ফিশ সসেজের স্থায়িত্বকাল ২৫ দিন, ব্যাটারড অ্যান্ড ব্রেডেড তেলাপিয়া ও হোয়াইট স্ন্যাপার ফিশের স্থায়িত্বকাল ১৬ দিন, সারডিন ফিশ ম্যারিনেটসের স্থায়িত্বকাল ৩০ দিন এবং তেলাপিয়া ও টুনা ক্র্যাকার্সের স্থায়িত্বকাল ৪ মাস পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

সেমিনারে গবেষকরা বলেন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় এই উপপ্রকল্পের আওতায় উদ্ভাবিত প্রযুক্তি আগ্রহী উদ্যেক্তাদের সহায়তায় দেশে মৎস্যজাত এসব দ্রব্য উৎপণ্য এবং উপযুক্ত মোডিফায়েড অ্যাটমোস্ফিয়ার প্যকেজিংয়ের (ম্যাপ) মাধ্যমে ভোক্তাদের কাছে পৌছে দেওয়া হবে। এতে ভোক্তারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী উচ্চ গুণাগুণসম্পন্ন ভ্যালু-অ্যাডেড দ্রব্য কিনতে পারবেন বলেও আশা করছে এই গবেষক দল।

সেমিনারে ফিশারিজ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম মনজুরুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার, বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ড. চৌধুরী মো. জাকারিয়া, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আব্দুস সালামসহ অন্যরা।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন