বিজ্ঞাপন

করোনা সংক্রমণ: মসজিদের জন্য ৯ নির্দেশনা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের

June 28, 2022 | 11:59 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় চলাচলে ছয় নির্দেশনার পর এবার নামাজ আদায়েও নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ে ৯টি নির্দেশনা দিয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় আদেশ জারি করেছে। একইসঙ্গে অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের ক্ষেত্রেও অনুসরণীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এই মন্ত্রণালয় থেকে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৮ জুন) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনের সই করা আদেশে বলা হয়, করোনাভাইরাস প্রার্দুভাবজনিত কারণে সারাদেশে করোনায় আক্রান্তের হার দ্রুত গতিতে বাড়ছে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের গত ২৬ জুনের ডিও-পত্রে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ধর্ম মন্ত্রণালয় মসজিদে জামাতে নামাজের জন্য আবশ্যিকভাবে ৯টি নির্দেশনা পালনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। নির্দেশনাগুলো হলো—

১। মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান পানি রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লিদের অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে;

বিজ্ঞাপন

২। প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওজু করে ও সুন্নত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে;

৩। মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লিদের প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে;

বিজ্ঞাপন

৪। কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে;

৫। শিশু, বয়োবৃদ্ধ, যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তি ও অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা জামাতে অংশ নিতে পারবেন না;

বিজ্ঞাপন

৬। সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতে মসজিদের ওজুখানায় সাবান রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না;

৭। সর্বসাধারনের সুরক্ষা নিশ্চিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে;

বিজ্ঞাপন

৮। কোভিড-১৯ মহামারি থেকে রক্ষা পেতে নামাজ শেষে রাব্বুল আলামিনের দরবারে খতিব, ইমাম ও মুসল্লিরা দোয়া করবেন; এবং

৯। খতিব, ইমাম ও মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

এছাড়া অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা উপাসনালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে হাত ধোয়াসহ স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় বলছে, এসব নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে।

এর আগে, সন্ধ্যায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক, জনাসমাগম এরিয়ে চলাসহ ছয় দফা নির্দেশনা জারি করে সব মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছে চিঠি দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সারাবাংলা/জেআর/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন