বিজ্ঞাপন

সুনামগঞ্জের বন্যায় সড়কে ক্ষতি ১৮০০ কোটি টাকা

June 29, 2022 | 11:02 am

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

সুনামগঞ্জ: বৃষ্টিপাত না হওয়া ও নদনদীর পানি কমায় সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির বেশ উন্নতি হয়েছে। সুরমা নদীর পানি গত কয়েক দিন ধরে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এখনো অনেক সড়ক পানির নিচে ডুবে রয়েছে। বানের জলে জেলার প্রধান সড়কগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে অনেক সড়ক।

বিজ্ঞাপন

বন্যার পানিতে সড়ক ভেঙে জেলা সদরের সঙ্গে এখনো সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে দোয়ারা বাজার, জামালগঞ্জ, জগন্নাথপুর ও ছাতক উপজেলার। অনেক সড়কের ভাঙা স্থানে সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। ফলে দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ।

সুনামগঞ্জের বন্যায় সড়কে ক্ষতি ১৮০০ কোটি টাকা

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয় দফা ভয়াবহ বন্যায় প্লাবিত হয়েছিল সুনামগঞ্জ জেলার সকল রাস্তাঘাটসহ সকল ঘরবাড়ি। সারাদেশের সঙ্গে সুনামগঞ্জ জেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল ৫ দিন। একইসঙ্গে জেলা সদরের সঙ্গে জেলার সকল উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। শান্তিগঞ্জ ও তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ চালু হলে এখনো সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে জামালগঞ্জ, দোয়ারাবাজার, ছাতক ও জগন্নাথপুর উপজেলার। অনেক সড়ক ভেঙে খালের মতো হয়ে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তিন লক্ষাধিকেরও বেশি মানুষকে। শুধু তাই নয়, অনেক সড়কে পায়ে হেঁটে চলাচলই কষ্টকর।

সড়ক ও জনপথ এবং এলজিইডির দাবি অনুযায়ী, জেলার প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটার সড়কের পুরোটাই বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। প্রায় ১৮শ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও অনেক সড়ক এখনো পানির নিচে রয়েছে। সড়ক থেকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর সড়ক মেরামত করা হবে।

বিজ্ঞাপন

সুনামগঞ্জের বন্যায় সড়কে ক্ষতি ১৮০০ কোটি টাকা

এলজিইডির সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম বলেছেন, বন্যায় সড়কের নজিরবিহীন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ৪৫৭১ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ অন্তত ১৫০০ কোটি টাকা। এখনো অনেক সড়ক পানির নিচে রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম বলেন, ৩৫৬ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ১৮৪ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্তত ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

সারাবাংলা/এএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন