বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি কালামসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি

July 4, 2022 | 2:38 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালামসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পিছিয়ে আগামী ১৪ আগস্ট ধার্য করেছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (৪ জুলাই) মামলার বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিলো। কিন্ত এদিন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ পেছানোর জন্য আবেদন করেন।

সময়ের আবেদনে আসামিপক্ষে আইনজীবীরা উল্লেখ করেন, এই মামলায় দুই জন আসামি হজ্জে গেছেন, একজন করোনা আক্রান্ত। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট আদালতের চার্জগঠনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মিস কেস করার আবেদন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৪ আগস্ট ধার্য করেন।

চার্জগঠন করেছেন আদালত। এর ফলে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

বিজ্ঞাপন

গত ১২ জুন সকালে ঢাকার বিশেষ আদালত-৬ এর বিচারক আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠনের আদেশ দেন।

মামলার অপর ৫ আসামিরা হলেন, রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক ( হাসপাতাল-১) ডা. মো. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক ( হাসপাতাল-১) ডা. মো. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. মো. দিদারুল ইসলাম।মামলাটিতের আসামিদের মধ্যে সাহেদ কারাগারে আছেন। অপর ৫ আসামি জামিনে আছেন।

বিজ্ঞাপন

গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে বিচারের জন্য বদলীর আদেশ দেন।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী সম্প্রতি আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন।

বিজ্ঞাপন

চার্জশিটে আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়নবিহীন বন্ধ রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। যেখান থেকে তারা অবৈধ পারিতোষিক বাবদ রোগী প্রতি ৩,৫০০ টাকা হিসেবে মোট এক কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণ করেন।

এছাড়া চার্জশিটে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের খাবার খরচ বরাদ্দের বিষয়ে ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার মাসিক চাহিদা তুলে ধরাসহ সমঝোতা স্মরকের খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বমোট ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ মামলাটি করেন ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী।

সারাবাংলা/এআই/এএম

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন