বিজ্ঞাপন

‘আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ফাঁদে পা দেবে না বিএনপি’

July 6, 2022 | 5:49 pm

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

নেত্রকোনা: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনি ফাঁদে বিএনপি পা দেবে না বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (৬ জুলাই) জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) উদ্যোগে নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার সুখারী ইউনিয়নে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে আর কোনো নির্বাচন নয়। টালবাহানার মধ্যে আর কোনো ফাঁদে আমরা পা দেব না। দেশের গণতান্ত্রিক অন্যান্য রাজনৈতিক দলও প্রহসনের কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না।’

বিজ্ঞাপন

উপস্থিত বানভাসি মানুষদের উদ্দেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা আমাদের সামর্থ্যমতো আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। আপনাদের বুঝতে হবে আমরা গত ১৩ বছরের বেশি সময় ধরে নানান নির্যাতনের শিকার। আপনার এলাকার সন্তান সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর গত ১৪ বছর ধরে কারাগারে। আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মামলা। সরকার আমাদের নিঃস্ব করে দিয়েছে। তারপরও দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হিসেবে আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।’

‘আপনাদের প্রিয় নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ গৃহবন্দি। আর আপনারা হলেন পানিবন্দি। দেশের নেত্রী যখন গৃহবন্দি থাকে, তখন পানিবন্দি মানুষকে দেখার কেউ থাকে না’— বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। কিন্তু আওয়ামী লীগ মানুষের জন্য না। আওয়ামী লীগ হচ্ছে লুটপাটকারী, চোরাকারবারি, অর্থ পাচারকারী, খুনি, নারী ও শিশু ধর্ষণকারী, মুদ্রা পাচারকারীদের জন্য। আর বিএনপি হচ্ছে মানুষের জন্য। এ কারণেই বিএনপি মানুষের পাশে আছে, থাকবে।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে ২০ শতাংশ মানুষ বন্যার দুর্ভোগে রয়েছে। কিন্তু দেশের ১৮ কোটি মানুষ শেখ হাসিনা সরকারের কারণে দুর্ভোগে আছে। এ থেকে আপনাদের মুক্তি পেতে হবে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে, আপনাদের ভোটের অধিকার আদায় করতে হবে। আপনার ভোট আপনি দেবেন, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিরাপদে যাকে খুশি তাকে দেবেন। আমাদের আন্দোলন আপনাদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। যেদিন আপনাদের নিরাপদ ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারব, সেদিনই আমরা নির্বাচনে যাব।’

বিজ্ঞাপন

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ওয়ারেস আলী মামুন, জেডআরএফের ত্রাণ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান, সদস্য সচিব প্রকৌশলী মাহবুব আলম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক ও সদস্য সচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালি, জেডআরএফের সদস্য প্রকৌশলী মেহেদী হাসান প্রমুখ।

সারাবাংলা/এজেড/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন