বিজ্ঞাপন

সিরিজ হারের পর ডমিঙ্গো বললেন— বিশ্বকাপ আসছে

August 8, 2022 | 2:38 am

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের ৩০৩ রানের সংগ্রহ জিম্বাবুয়ে পেরিয়ে যায় ১০ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখে। আজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ২৯০ রান পেরিয়েছে ১৫ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখে।  ইনিংসের শুরুর দিকে বিপদে পড়লেও পরে বাংলাদেশি বোলিং আক্রমণকে পাত্তাই দেয়নি আফ্রিকান দলটি। অথচ এই মুহূর্তে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ ৭ নম্বরে আর জিম্বাবুয়ে ১৫ নম্বরে। তাছাড়া সিরিজে নিয়মিত একাদশের পাঁচ ক্রিকেটারকে পাচ্ছে না জিম্বাবুয়ে। সব মিলিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯ বছর পর ওয়ানডে সিরিজ হারটা মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই।

বিজ্ঞাপন

এমন হারে রাসেল ডমিঙ্গো একটু বেশিই চিন্তিত। কারণ ওয়ানডে বিশ্বকাপ আসছে। ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের স্বপ্ন অনেক বড়। বিশ্বকাপের আগের বছরে খর্বশক্তির জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরপর দুই ম্যাচে আত্মসমর্পন তাই বড্ডই ভাবাচ্ছে বাংলাদেশের হেড কোচ ডমিঙ্গোকে।

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ডমিঙ্গো বলছিলেন, উন্নতির জায়গা আছে এখনো অনেক, ‘গত দুই দিনের পারফরম্যান্সে ওয়ানডে দলকে সমালোচনা করা ঠিক হবে। তবে অনেক কাজ করার বাকি। তারা ৪টি শতক করেছে, আমরা একটিও করিনি। কোচিং স্টাফের সদস্য এবং দলের সবাই বড় শিক্ষা পেয়েছে। বিশ্বকাপ আসছে। ভাগ্যক্রমে এসব ম্যাচে পয়েন্ট নেই।’

বিজ্ঞাপন

ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল ব্যাটিং ইউনিটকেই বেশি দোষ দিচ্ছেন। দুই ম্যাচেই শুরুতে তিন-চারটি উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু পরে সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠেছে দুর্দান্তভাবে। প্রথম ম্যাচে ৬২ রানে তিন উইকেট হারানোর পর চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৯২ রান তুলে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন সিকান্দার রাজা ও ইনোসেন্ট কাইয়া। সেঞ্চুরি পেয়েছেন দুজনই। দ্বিতীয় ৪৯ রানে চার উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। তারপর আবারও সিকান্দার রাজার প্রতিরোধ। ২০১ রানের জুটি গড়েন রেগিস চাকাভার সঙ্গে। সেঞ্চুরি পেয়েছেন দুজনই। বাংলাদেশ পিছিয়ে গেছে এখানেই।

দুই ম্যাচেই ব্যাটিংয়ে ভালো শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু পরে সেটা ভালোভাবে টেনে নিতে পারেনি। মাঝের ওভারগুলোতে বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে পারেনি বাংলাদেশ। বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কোনও ব্যাটার। যাতে দুই ম্যাচের প্রত্যাশার চেয়ে ৩০-৪০ রান কম উঠেছে। তামিম ইকবাল বলছেন, পার্থক্যটা গড়ে দিয়েছে সেটাই।

বিজ্ঞাপন

তামিম বলেন, ‘আমার মনে হয় পার্থক্যটা এখানে—ওদের চারটি সেঞ্চুরি, আমাদের নেই। এটাই বড় পার্থক্য। ভালো একটা স্কোর গড়েছিলাম (আজ)। শুরুটা ভালো হয়েছিল, কিন্তু চালিয়ে যেতে পারেনি। ছোটখাটো একটা ধসের পর মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ ভালো করেছিল। ২৯১ রানও ভালো স্কোরই ছিল, আমার বোলিংয়ে লড়াই করার মতো কিছু পেয়েছিলাম।’

রাসেল ডমিঙ্গোর ভাষায়, ‘জিম্বাবুয়েকে কৃতিত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে রাজাকে। দুটি দারুণ ইনিংস চাপের মুখে। গতকাল হয়তো ২০ রান কম করেছি। আজও ২০ রানের মতো কম করেছি। আর বিকালে এমন স্কোর ডিফেন্ড করা খুবই কঠিন। তবে কোনো অজুহাত দিতে চাই না।’

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএইচএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন