বিজ্ঞাপন

এমন হারের কারণ জানা নেই ডোনাল্ডেরও

August 9, 2022 | 10:55 pm

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট

ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ ৭ নম্বরে, জিম্বাবুয়ে ১৫ তম। এই ফরম্যাটে অনেক বছর ধরেই দুর্দান্ত ধারাবাহিক বাংলাদেশ। কিন্তু ৯ বছর ধরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অপরাজিত থাকা বাংলাদেশ দুই দিনের ব্যবধানে হারল দুবার। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ৩০৩ রান তুলেও জিততে পারেনি তামিম ইকবালের দল। দ্বিতীয় ম্যাচে ২৯০ রান করে হারতে হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

অথচ দুই ম্যাচেই শুরুতে তিন-চারটি উইকেট তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে চেপে ধরেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হারতে হয়েছে বড় ব্যবধানে। মাঝে ও শেষেও ওভারগুলোতে একদমই বাজে বোলিং করেছেন বোলাররা। স্কোর আরও বড় করতে না পারার দায় ছিল ব্যাটারদেরও। ফিল্ডিং ছিল যাচ্ছে-তা। খর্ব শক্তির জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কেন এমন হলো? উত্তর জানা নেই বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ডের কাছেও।

কাল বুধবার (১০ আগস্ট) হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচটি খেলতে নামবে বাংলাদেশ। পরপর দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই সিরিজ জিতে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের প্রত্যাশা এখন শেষ ম্যাচটা ভালোভাবে জিতে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া।

বিজ্ঞাপন

অ্যালান ডোনাল্ড সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘কঠিন শিক্ষা পাওয়ার পর যেমন হয়, দলের অবস্থা এখন তেমনই। আমরা অনেক সুযোগ হাতছাড়া করেছি। কিছু ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কিছু বাজে সিদ্ধান্তও। আজ সকালে আমরা এ নিয়ে কথা বলেছি। আমরা এই দলের ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য নিয়ে কথা বলেছি। সিরিজ হেরেছি। কিন্তু আত্মবিশ্বাস নেওয়ার জন্য জিততে হবে। জিম্বাবুয়ে খুব ভালো খেলেছে। রাজা অবিশ্বাস্য ক্রিকেট খেলেছে। চাকাভা দেখিয়েছে তার সামর্থ্য। ওরা আমাদের চাপে ফেলেছে। আমাদের কাছে এর কোনো উত্তর ছিল না। এটা ড্রেসিংরুমে বসে দেখা কঠিন। কারণ, আপনি কিছু করতে পারবেন না। সিদ্ধান্ত নেওয়াটা ক্রিকেটারদের কাজ।’

এই সিরিজের আগে তামিম ইকবালের নেতৃত্ব টানা পাঁচ ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে প্রথমবারের মতো সিরিজ জিতে তামিমের দল। তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়। সেই দলটা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এভাবে নাস্তানাবুদ হবে ভাবতে পারেননি অনেকেই।

বিজ্ঞাপন

এমন হারের কারণ জানা নেই ডোনাল্ডেরও

অথচ হারারের পিচ দক্ষিণ আফ্রিকার মতোই। ডোনাল্ড এমন ব্যর্থতার উত্তর খুঁজে পাচ্ছে না, ‘একদম একই কন্ডিশনে খেলা কিন্তু। আমরা এটা নিয়ে কথা বলেছি। আমরা কী ক্লাসি দল ছিলাম দক্ষিণ আফ্রিকায়, ঠিক এমন কন্ডিশনে। সেখানে আমরা কীভাবে বল করেছি, আমরা মাঝের ওভারে কীভাবে সেখানে উইকেট নিয়েছি। এখানে আমরা নতুন বলে ভালো করছি। কিন্তু মাঝের ওভারে, যেখানে উইকেট নেওয়ার আরও সুযোগ ছিল, তখন কোনো উত্তর খুঁজে বের করতে পারিনি।’

বিজ্ঞাপন

সামনেই বড় দুই টুর্নামেন্ট। আগস্টের শেষ সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপ। তারপর অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। দুই দেশের পিচও এমন ব্যাটিং সহায়ক থাকতে পারে। ডোনাল্ডের সব মনোযোগ সেদিকেই।

বলেছেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে উইকেটগুলো ঠিক এমনই হবে। অস্ট্রেলিয়ার উইকেট সব সময় ভালো। এশিয়া কাপ দুবাইয়ে। সেখানেও কন্ডিশন এমনই থাকবে। আমি জানি সেটা টি-টোয়েন্টি। এটা ওয়ানডে। তবে হ্যাঁ, সেখানে উইকেট ভালো থাকবে।’

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএইচএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন