বিজ্ঞাপন

‘বিদ্যুৎ খাতে সর্বগ্রাসী দুর্নীতির মাশুল দিচ্ছে জনগণ’

August 13, 2022 | 1:57 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ‘বিদ্যুৎ খাতে সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতি, আত্মঘাতী চুক্তি ও অপরিণামদর্শী পরিকল্পনার মাশুল দিচ্ছে জনগণ’— এমনটিই মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সরকার গত দেড় দশক ধরে উন্নয়নের যে ঢোল বাজিয়ে আসছে তন্মধ্যে একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল বিদ্যুৎ খাত। দাবি করা হচ্ছে যে ২০২২ সালে এসে ক্যাপাসিটিসহ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৫ হাজার ৫৬৬ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে এবং সর্বোচ্চ উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৭৮২ মেগাওয়াট।’

বিজ্ঞাপন

‘গত ১০ জুলাই সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ১১ হাজার ৭৬০ মেগাওয়াট। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার উচ্ছ্বাস উদযাপন করা হলো ঘটা করে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এত নজিরবিহীন অর্থ ব্যয় করেও কেন পুনরায় দেশের জনগণকে লোডশেডিংই বরণ করতে হচ্ছে? আজ কেন বিদ্যুতের ব্যবহার কমিয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার নসিহত করা হচ্ছে, কেন আজ অন্ধকারাচ্ছন্ন দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, কেন সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে চরমভাবে ব্যর্থ হচ্ছে, কেন বিদ্যুৎ খাত আজ অর্থনীতির জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে? এর উত্তর একটাই, সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতি, আত্মঘাতী চুক্তি ও অপরিণামদর্শী পরিকল্পনার মাশুল দিচ্ছে জনগণকে’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘দায়মুক্তি আইন করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনা টেন্ডারে যেসব অপরিণামদর্শী, অসম ও আত্মঘাতী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার চুক্তি করা হয়েছে, স্বল্প সময়ের কথা বলে যেসকল রেন্টাল, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও সেগুলো আবার আগের শর্তেই নবায়ন করা হয়েছে, চাহিদা না থাকা সত্বেও নতুন নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, বিদ্যুৎ না কিনেই অলস বসিয়ে বসিয়ে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে যে বিপুল অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে, দেশীয় গ্যাস উত্তোলন না করে আমাদানিকৃত জ্বালানি নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ যে অপরিণামদর্শী মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, এখন তারই মাশুল দিচ্ছে জনগণ।’

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুক ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ।

সারাবাংলা/এজেড/এসএসএ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন