বিজ্ঞাপন

‘যে করেই হোক, বঙ্গবন্ধুর লাশের মুখ দেখতেই হবে’

August 15, 2022 | 12:01 pm

আজমল হক হেলাল, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

“দুপুর দেড়টা নাগাদ হঠাৎ হেলিকপ্টারের আওয়াজ। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে টুঙ্গিপাড়ার আকাশে হেলিকপ্টার দেখা গেলো। হেলিপ্যাডের পাশে উঁচুগাছের ডালে লম্বা বাঁশের সাথে সাদা পতাকা বেঁধে দেওয়া আছে। টুঙ্গিপাড়া এলাকায় হেলিকপ্টারটি ৩ বার চক্কর দিয়ে হেলিপ্যাডের উপর এসে মাটি হতে ৩০/৪০ ফুট উপরে সোজা হয়ে উড়ছে।

বিজ্ঞাপন

একজন আর্মি অফিসার হেলিকপ্টারের জানালা দিয়ে মাথা বের করে আমাদের সাথে কথা বলতে চাইলে আমি ডাকবাংলার বারান্দা হতে নেমে হেলিকপ্টারের কাছাকাছি যাই। ওই অফিসার আকাশ থেকেই চিৎকার করে আমার পরিচয় জানতে চান। আমি নিজেকে এসডিপিও পরিচয় দিলে তিনি উচ্চস্বরে বলেন ‘SDO! Why are you in unifrom?’ আমি বলি এসডিও না। আমি মহকুমা পুলিশ অফিসার এসডিপিও।

এরপর তিনি জানতে চান হেলিপ্যাড ও আশপাশের এলাকা নিরাপদ কি না? আমি জানাই পুরা টুঙ্গিপাড়া এলাকা সিকিউরড আছে। তিনি আবার প্রশ্ন করেন কতজন পুলিশ নিরাপত্তা দায়িত্বে আছে? আমি তাকে বলি টুঙ্গিপাড়া থানা ও বাঁশবাড়িয়া ক্যাম্পের সকল পুলিশ নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত আছে এবং গোপালগঞ্জ হতে লঞ্চে করে রিজার্ভ পুলিশ আসছে। তিনি হঠাৎ রেগে গিয়ে চিৎকার করে বলেন, ‘রিজার্ভ পুলিশ আসতে দেরি কেন? Bloody man-you are good for nothing, security is not full proof. Dead body could be snatched?’ ”

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ওপরের কথাগুলো বলেছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দাফন-কাফনে অংশ নেওয়া গোপালগঞ্জ মহকুমার তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা মো. নুরুল আলম। সম্প্রতি রাজধানীর মগবাজারে নিজ ফ্ল্যাটে সারাবাংলাকে একান্ত সাক্ষাৎকার দেন তিনি।

“স্পীডবোটে টুঙ্গিপাড়া রওয়ানা হলাম। সকালে ঢাকার পুলিশ কন্ট্রোলরুম হতে টেলিফোন আসার পর দুঃচিন্তা, উৎকণ্ঠা এবং হতাশায় কিছুটা মুষড়ে পড়েছিলাম। নদীর মুক্ত হাওয়ায় সেই ভাবনায় কিছুটা ছেদ পড়ে। কিন্তু মন তখনও বিষন্ন, অন্তরে বিক্ষোভ। তবে আমি সরকারি কর্মকর্তা, এই ভেবে মনকে শক্ত করি। দায়িত্ববোধ ও কর্তব্য পালনে উজ্জীবিত হই। হয়তো প্রিয় বঙ্গবন্ধুকে শেষ দেখার সুযোগ হবে। বুকে সাহস এনে মনকে শক্ত করে ভাবলাম, বাবা-মা, ভাই-বোনকে ছেড়ে বঙ্গবন্ধুর ডাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে গিয়েছিলাম মৃত্যুকে নিশ্চিত জেনে। এখন না হয় সে মৃত্যু আসন্ন। নেতাকে ঠিকমতো মাটি দেবার ব্যবস্থা করতেই হবে। ভিতরে ভিতরে ভীষন সাহসী হয়ে উঠলাম এই ভেবে, নেতাকে শেষবার দেখার সুযোগ হবে।

বিজ্ঞাপন

যাত্রার সময় সকাল সাড়ে নয়টা পৌনে দশটা হবে। তাড়াতাড়ি পৌঁছার জন্য কিছুটা সোজাপথে ভেন্নাবাড়ির ভেতর দিয়ে বর্নি বাওর হয়ে টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছিলাম। এ মহাবিপদের সময় স্পীডবোটে বসে অনেক ভাবনা চিন্তা ও আলাপ আলোচনা হচ্ছিল। বিশেষ করে কবর দেওয়ার সময় লাশের মুখ দেখা যাবে কি না? যদি মুখ দেখা না যায় তাহলে বঙ্গবন্ধুর বাবা মার কবরের পাশে কাকে কবর দেওয়া হলো, তার কোন সাক্ষী থাকবে না ইত্যাদি। আবার লাশের মুখ দেখতে চাইলে কফিন বহনকারী ঘাতকের দল ক্ষিপ্ত হয়ে কি করে তাও অনুমান করা যাচ্ছেনা। তবে ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইন্সপেক্টরদের মতো হলো, যে করেই হোক লাশের মুখ দেখার ব্যবস্থা করতে হবে। আমারও প্রবল ইচ্ছা কাকে সমাহিত করা হচ্ছে তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় জাতি এবং ইতিহাসবেত্তাদের কাছে কবর নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাবে। বিভিন্ন রকমের আলোচনা হচ্ছে। তবে সব কথা বার্তা হচ্ছে আমাদের চার অফিসারের মধ্যে নীচুস্বরে এবং সতর্কতার সাথে। আলাপ হচ্ছে ২৯ ফুট লম্বা স্পীডবোটের মাঝখানে বসে। যেন ড্রাইভার বা অস্ত্রধারী সিপাইরা না শুনে। ভয় ছিলো, শুনলে আবার পরবর্তীতে বিপদ হতে পারে। আলাপের মধ্যে ইন্সপেক্টর শেখ আবদুর রহমান প্রশ্ন করেন, ‘স্যার ঢাকায় কি রাষ্ট্রপতির জানাজা হয়েছে?’ আমি বলি সেরকম কোনো কথা ঢাকার এসপি বলেননি। গভীরভাবে চিন্তা করতে থাকলাম, সম্ভবত জানাজা হয়নি। মনে হলো, যদি জানাজার ব্যবস্থা করা যায় তাহলে মুখ দেখা সম্ভব ও সহজ হবে। কারণ জানাজার সময় কফিনের ডালা খোলা যাবে। ম্যাজিস্ট্রেট কাদের সাহেব বললেন, ‘এ কাজও সহজ হবে না। লাশ নিয়ে আসা আর্মিরা কখনোই কফিনের ডালা খোলা এবং জানাজার নামাজ পড়ার অনুমতি দেবে বলে মনে হয় না। কারো কথায় সন্দেহ হলে উল্টা এ্যাকশন হতে পারে।’ আমাদের সবার মনে তখন জীবনের ভয়। যারা দেশের রাষ্ট্রপতিকে পরিবার ও স্বজনসহ হত্যা করতে পারে তারা যে কোন সময় যে কোনও চরম ব্যবস্থা নিতে পারে।

বিজ্ঞাপন
‘যে করেই হোক, বঙ্গবন্ধুর লাশের মুখ দেখতেই হবে’
ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইন্সপেক্টরদের মতো হলো, যে করেই হোক লাশের মুখ দেখার ব্যবস্থা করতে হবে। আমারও প্রবল ইচ্ছা কাকে সমাহিত করা হচ্ছে তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

যখন টুঙ্গিপাড়া পৌঁছালাম তখন সময় ১১টার পর হবে। থানার ঘাটে স্পীডবোট হতে নেমে ওসির কাছে কবর খননের অগ্রগতি জেনে ডাকবাংলোর সামনে হেলিকপ্টার অবতরণস্থলে যাই। হেলিপ্যাড ও কবরস্থান এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কীভাবে করতে হবে তা পুলিশের দুজন ইন্সপেক্টর ও থানার ওসিকে বিস্তারিত বুঝিয়ে দেই। ইতোমধ্যে কাছের বাঁশবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের সকল ফোর্স এসে গেছে। তাদেরকে হেলিপ্যাড ও ডাকবাংলোর চারিদিকে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়। থানার ফোর্স ও অফিসার বঙ্গবন্ধুর বাড়ি এবং কবরস্থানের নিরাপত্তার দায়িত্বে আছে। ডাকবাংলোর নীচতলায় সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় শাখা। সেদিন রোদ উঠেছিলো। মেঘভাঙ্গা রোদের অগ্নিঝরা দুপুর। টুঙ্গিপাড়া যেন পিনপতন নিস্তব্ধতায় অপেক্ষা করছে, তারই কোলেপিঠে বড় হওয়া বাংলা মায়ের দামাল ছেলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে গভীর স্নেহে তার বুকে আশ্রয় দিতে। কয়েকজন ব্যাংক কর্মচারী, ৪ জন কফিন বহনকারী, কবরের পাশে ৪/৫ জন কবর খননকারী ও পুলিশ ছাড়া আর কোথাও কেউ নেই। পুরো টুঙ্গিপাড়া সেদিনজনমানব শূন্য ছিলো। রাস্তাঘাট, বাড়ির আঙ্গিনা, নদীর ঘাট, পুকুর পাড় কোথাও লোকজনের চলাচলের সাড়াশব্দ নেই। দোকানপাট, বাড়িঘর হাসপাতালসহ সব কিছুর দরজা জানালা বন্ধ। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা পর্যন্ত ঘরের বাইরে নেই। এ যেন এক মৃত জনপদ!

বিজ্ঞাপন

এরমধ্যে দুপুর সাড়ে ১২টা বেজে গেছে। তখনও গোপালগঞ্জ হতে পাঠানো রিজার্ভ পুলিশ আসেনি। চরম উৎকণ্ঠা ও অস্থিরতার মধ্যে সময় যাচ্ছে। এ সময় ইন্সপেক্টর ইছাক ফকির এসে জানায়, কবর খনন শেষ হয়েছে। কবরসহ পুরা টুঙ্গিপাড়ায় পুলিশ পাহারা আছে। কবর খননকারীরা চলে যেতে চাইলে তিনি তাদের সেখানে থাকার জন্য বলে এসেছেন। তিনি গ্রাম ঘুরে দেখেছেন। কোথাও লোকজন নেই। ফলে নিরাপত্তার ঝুঁকিও নেই। রাস্তাঘাট ফাঁকা। লোকজন প্রাণ ভয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে। অনেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নদী-নালা, ডোবা ইত্যাদির পানিতে নেমে মাথার উপর কচুরিপানা বা জঙ্গলের আড়ালে লুকিয়ে প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত।

দুপুর দেড়টা নাগাদ হঠাৎ হেলিকপ্টারের আওয়াজ। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে টুঙ্গিপাড়ার আকাশে হেলিকপ্টার দেখা গেলো। হেলিপ্যাডের পাশে উঁচুগাছের ডালে লম্বা বাঁশের সাথে সাদা পতাকা বেঁধে দেওয়া আছে। টুঙ্গিপাড়া এলাকায় হেলিকপ্টারটি ৩ বার চক্কর দিয়ে হেলিপ্যাডের উপর এসে মাটি হতে ৩০/৪০ ফুট উপরে সোজা হয়ে উড়ছ। একজন আর্মি অফিসার হেলিকপ্টারের জানালা দিয়ে মাথা বের করে আমাদের সাথে কথা বলতে চাইলে আমি ডাকবাংলার বারান্দা হতে নেমে হেলিকপ্টারের কাছাকাছি যাই। ওই অফিসার আকাশ থেকেই চিৎকার করে আমার পরিচয় জানতে চান। আমি নিজেকে এসডিপিও পরিচয় দিলে তিনি উচ্চস্বরে বলেন ‘SDO! Why are you in unifrom?’ আমি বলি এসডিও না। আমি মহকুমা পুলিশ অফিসার এসডিপিও। তিনি জানতে চান হেলিপ্যাড ও আশপাশের এলাকা নিরাপদ কিনা? আমি জানাই পুরা টুঙ্গিপাড়া এলাকা সিকিউরড আছে। তিনি আবার প্রশ্ন করেন কতজন পুলিশ নিরাপত্তা দায়িত্বে আছে? আমি তাকে বলি টুঙ্গিপাড়া থানা ও বাঁশবাড়িয়া ক্যাম্পের সকল পুলিশ নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত আছে এবং গোপালগঞ্জ হতে লঞ্চে করে রিজার্ভ পুলিশ আসছে। তিনি হঠাৎ রেগে গিয়ে চিৎকার করে বলেন, ‘রিজার্ভ পুলিশ আসতে দেরি কেন? Bloody man-you are good for nothing, security is not full proof. Dead body could be snatched?’ তখন আমি জানাই, মধুমতি নদী হয়ে ফোর্স আসতে একটু দেরি হচ্ছে। আমি একজন ম্যাজিস্ট্রেটসহ স্পীডবোটে করে বাওরের মধ্য দিয়ে এখানে এসে পুরা এলাকা সিকিউর করেছি। আমি দৃঢ়তার সাথে বলি, ‘স্যার সিকিউরিটির কোন অসুবিধা হলে সে দায়িত্ব আমার।’ তিনি উল্টা প্রশ্ন করেন, ‘মিছিলো করে লোক এসে লাশ ছিনতাই করলে কি করবেন?’ আমি দৃঢ়ভাবে বলি, ‘স্যার আমি বেঁচে থাকতে তা হতে দেবো না। যদি হয় আমাকে শাস্তি দিবেন। আপনারা নির্ভয়ে নামতে পারেন।’


আরও পড়ুন:

‘বঙ্গবন্ধুর আত্মীয়দের মারতে আর্মি আসতে পারে’

‘দুপুরে মুজিবের লাশ টুঙ্গিপাড়া যাবে, সব ব্যবস্থা করেন’


নিরাপত্তার অসুবিধা হবে না শুনে হেলিকপ্টার মাটিতে অবতরণ করে। সাথে সাথে হেলিকপ্টারের দরজা খুলে অফিসার ও সৈনিকরা লাফিয়ে পড়ে হেলিপ্যাড ও ডাকবাংলোর চারিদিকে মাটিতে শুয়ে লাইং পজিশনে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করে। লাশ নিয়ে আসা সৈনিকদলের কমান্ডার ছিলেন একজন মেজর। তিনি দৌড়ে ডাকবাংলার বারান্দায় গিয়ে অপেক্ষমান ম্যাজিস্ট্রেট, ব্যাংক কর্মচারী ও লাশ বহনকারী সিভিল লোকদের দিকে পিস্তল তাক করে চিৎকার করে উঠেন, ‘Who are those bastards? They may snatch the dead body?’ ধমক খেয়ে সবাই ভয়ে ডাকবাংলোর পেছনে কলাবাগানের ভেতর দিয়ে বিলের কাঁধ সমান পানিতে নেমে সাঁতরিয়ে গ্রামের দিকে চলে যায়। আমি পেছন পেছন দৌড়ে গিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল কাদের ও ব্যাংক কর্মচারীদের পরিচয় দিলে, আর্মি অফিসার ম্যাজিস্ট্রেটকে ধমক দিয়ে বলেন, ‘Why are you running?’ এরপর মেজর আবারও আমাকে বলেন, ‘লাশ ছিনতাই বা কবর থেকে উঠিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা নেই তো?’ এ ধরনের কোনও ঘটনার সম্ভাবনা নেই বলে আবারও অভয় দিলে মেজর হেলিকপ্টার হতে লাশ নামিয়ে তাড়াতাড়ি কবরস্থানে নেওয়ার হুকুম দেন।

লাশের কফিন নামিয়ে কবরস্থানে নেওয়ার জন্য যাদের রাখা হয়েছিলো, তারা মেজর সাহেবের ধমক খেয়ে বিলের পানি সাঁতরে পালিয়ে গেছে। কফিন নামানোর জন্য হেলিকপ্টারের পেছনের দরজা খুলে দেওয়া হয়। আমি নিজেই কফিন নামানোর জন্য হেলিকপ্টারের উপর উঠে যাই। পরিদর্শক শেখ আব্দুর রহমান ও আমার সাথের ২ জন কনস্টবল মিলে কফিন বাক্সটি সামান্যতম নাড়াতে ব্যর্থ হলে কপ্টারের কাছে দাঁড়ানো স্পীডবোট চালক আব্দুস সাত্তারকেও হেলিকপ্টার থেকে কফিন নামাতে বলি। হেলিকপ্টারের পাহারায় থাকা আর্মি হাবিলদারও কফিন নামাতে সহযোগিতা করেন। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, হেলিকপ্টারে করে রাষ্ট্রপতির মরদেহ পাহারা দিয়ে নিয়ে এসেছিলেন, মেজর কাজী হায়দার আলীর কমান্ডে ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনসহ (যিনি ৭ নভেম্বর সেনা অভ্যূত্থানে নিহত) একজন হাবিলদার ও ১০ জন সৈনিক। এছাড়া হেলিকপ্টারে ছিলেন দুইজন পাইলট। তারা হেলিকপ্টার হতে নীচে নামেনি। ফ্লাইট লে. শমসের আলী হেলিকপ্টার চালিয়ে এসেছিলেন। (আর্মি অফিসার ও পাইলটের নাম পরে জানা গেছে)।

চলবে…

সারাবাংলা/এসবিডিই/এএসজি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন