বিজ্ঞাপন

চকবাজারে আগুনে নিহতদের লাশ ডিএনএ পরীক্ষার পর হস্তান্তর

August 15, 2022 | 7:06 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর চকবাজারে আগুনে নিহত ৬ জনের লাশ ডিএনএ পরীক্ষার পর হস্তান্তর করা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ডিএমপির লালবাগ বিভাগের ডিসি মো. জাফর হোসেন জানান, উদ্ধার করা এসব লাশ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষা করে পরিচয় শনাক্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে সোমবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে চকবাজারের ৩০ দ্বেবী দাস ঘাট লেনের নীচ তলার বরিশাল হোটেলে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে নিহত ৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ জানিয়েছে, ওই হোটেলের ওপরে বিশেষ কৌশলে ছাদ বানিয়ে ঘুমানোর জায়গা করেছিল মালিক। নিহতদের সবাই সেখানে রাতভর ডিউটি করে ঘুমিয়েছিল। নিচে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুন লাগলেও তারা বের হতে পারেননি।

বিজ্ঞাপন

উদ্ধার হওয়া ছয় মরদেহের মধ্যে চারজনের পরিচয় জানা গেছে। এরা হলেন- ওসমান, বিল্লাল, শরীফ, স্বপন। বাকি দুইজনের নাম পাওয়া যায়নি। ওই দুই মরদেহ পুড়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের শনাক্ত করা যায়নি।

সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একে একে লাশগুলো উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এরপর বিশেষ ব্যাগে সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের (মিটফোর্ড) মর্গে নেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন: চকবাজারে আগুনে গেল ৬ প্রাণ

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান বলেন, লাশগুলো চেনার উপায় নেই। ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ডের মর্গে নেওয়া হয়েছে। সেখানে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। যে সকল স্বজন লাশের দাবি করছে তাদের ডিএনএ সংগ্রহ করা হবে। ডিএনএ পরীক্ষা শেষে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

বিজ্ঞাপন

ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা সদরের জোন-১ এর উপ-সহকারী পরিচালক মো. বজলুর রশিদ বলেন, ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনের শরীর এমনভাবে পুড়ে গেছে যে তাদের চেহারা দেখে চেনার উপায় নেই। আগুনে পুড়ে ওই পাঁচ মরদেহের হাড় বেড়িয়ে গেছে।

এ বিষয়ে ডিএমপির লালবাগ বিভাগের ডিসি মো. জাফর হোসেন বলেন, উদ্ধার মরদেহগুলো মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষা করে পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিজ্ঞাপন

বরিশাল হোটেলের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে দাবি করেছেন কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী। তারা বলছেন, সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুন শুরুতে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমারে যায়। সেখানে আরেক দফা বিস্ফোরণের পর প্লাস্টিকের খেলনা তৈরির কারখানায় আগুন লাগে।

সারাবাংলা/ইউজে/এএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন