বিজ্ঞাপন

সারাবাংলায় প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে অধ্যাপক রেজাউল করিমের ব্যাখ্যা

August 17, 2022 | 8:31 pm

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ‘অনুমতি ১ বছরের, বিধি ভেঙে নর্থ সাউথে পড়াচ্ছেন ৪ বছর’— সারাবাংলায় প্রকাশিত এই সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান থেকে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. এ কে এম রেজাউল করিম।

বিজ্ঞাপন

প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার দায়িত্ব ও কর্তব্যে কোনো ব্যাঘাত সৃষ্টি না করে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন পড়াচ্ছি— এটাই সত্য। অনুমতির জন্য দরখাস্ত করেছিলাম। অনুমতি পেয়েছি। আমি আমার দরখাস্তে কোনো মেয়াদ উল্লেখ করিনি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমার অনুমতিপত্রে মেয়াদ উল্লেখ করেছেন। তবে তা আমি খেয়াল করিনি। সারাবাংলায় প্রকাশিত নিউজ পড়ে তা জানতে পারলাম।’

অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এমন অনেক শিক্ষক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে পড়াচ্ছেন। তাদের অনুমতিপত্রে কোনো মেয়াদ উল্লেখ নেই। আমারটাতে কেন মেয়াদ উল্লেখ করা হলো তা আমার বোধগম্য নয়। আমার বিভাগ, তথা মনোবিজ্ঞান বিভাগের আগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহফুজা খানম আমাকে বলেছিলেন, যে সকল শিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর অন্য কোনো বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে পড়াচ্ছেন তাদের প্রতি সেমিস্টার বা সেশন শুরু হওয়ার আগে বার বার অনুমতি নিতে হবে। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে পড়াতে চাইলে একবার অনুমতি নিতে হবে। বারবার অনুমতির প্রয়োজন হয় না। কারও জন্য মেয়াদ উল্লেখ করা, আবার কারও জন্য উল্লেখ না করা একটা বৈষম্যমূলক প্রক্রিয়া। যাই হোক, আমি বিশ্ববিদ্যালয় বিধির প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং কর্তৃপক্ষ চাইলে প্রয়োজনে আগের অনুমতি নবায়নে আবেদন করব।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া আমার বিরুদ্ধে আরও কিছু মিথ্যা অভিযোগ ড. কামাল উদ্দীন উপাচার্য বরাবর উপস্থাপন করেছেন। যেগুলো সারাবাংলার সংবাদে ছাপা হয়েছে। কিন্তু, বিষয়গুলো আগের মীমাংসিত বিষয়। এই বিষয়গুলো তৎকালীন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নাসরিন আহমেদ মৌখিকভাবে সমাধান করে দিয়েছিলেন। তারা ওই সমাধান না মানলে পরে আমি আদালতের শরনাপন্ন হয়েছিলাম। মহামান্য আদালত আমার পক্ষে রায় দিলে তাও তারা মানেননি। সেগুলোর ডকুমেন্টস আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। পরে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান নিজে হস্তক্ষেপ করেন। তারা রায় মানতে বাধ্য হন। মূলত বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দীনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলায় তিনি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন।’

সারাবাংলা/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন