বিজ্ঞাপন

নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, আটক ১

September 23, 2022 | 9:53 am

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

নোয়াখালী: জেলার সদর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তাসমিয়া হোসেন অদিতিকে (১৪) গলা ও হাতের রগ কেটে হত্যা করার ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ঘরের মালামাল লুট করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

আটককৃত তরুণের নাম মো. সাঈদ (২০)। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে নোয়াখালী পৌরসভার ৩নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়ণপুর এলাকায় ওই শিক্ষার্থীর নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তাসমিয়া হোসেন অদিতি নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে নোয়াখালী পৌরসভার ৩নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়ণপুর মহল্লার মৃত রিয়াজ হোসেনের মেয়ে। তার মা স্থানীয় একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা

এ বিষয়ে এসপি শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগীরা দুই বোন। নিহত অদিতির বড় বোন প্রতিবন্ধী। আর মা রাজিয়া সুলতানা উপজেলার জয়নাল আবেদীন মেমোরিয়াল একাডেমির শিক্ষিকা। প্রতিদিনের ন্যায় ঘটনার দিন সকাল ৭টার দিকে স্কুলে চলে যায় রাজিয়া। পরে অনুমানিক সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাসায় এসে দেখেন বাহির থেকে দরজায় তালা লাগানো। প্রতিদিনের ন্যায় দরজা বন্ধ থাকায় পার্শ্ববর্তী ভাড়াটিয়ারাও কিছু অনুমান করতে পারেনি। পরে দরাজা খুলে অদিতির রুম বন্ধ পাওয়ায় তাকে খুঁজতে থাকেন মা রাজিয়া । এক পর্যায়ে বাসার পেছনের দিকে জানালা দিয়ে দেখেন, তার মেয়ে গলাকাটা রক্তাক্ত ও বিবস্ত্র অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘পরবর্তীতে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে মেয়ের রক্তাক্ত নিথর দেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন মা রাজিয়া। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিবেশী নয়নের ছেলে মো. সাঈদ প্রায় সময় তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করত। অনেক সময় হুমকিও দিয়েছিল।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে এসপি বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে— হত্যাকারী একা বা দলবলসহ পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক সুকৌশলে ওঁত পেতে থেকে ভুক্তভোগীকে একা পেয়ে ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের পর খুন করে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।’

বিজ্ঞাপন

শহীদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় থানা পুলিশ, ডিবি, পিবিআই ও সিআইডি যৌথভাবে কাজ করছে। তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মূল আসামি মো.সাঈদকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আরও তদন্তসহ আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

সারাবাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন