বিজ্ঞাপন

নদীর সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা আশঙ্কার কারণ: শেখ রোকন

September 25, 2022 | 4:37 pm

বাংলাদেশে নদী দিবস উদযাপনের প্রবক্তা শেখ রোকন। তিনি নদী, জলাভূমি ও পানিসম্পদ বিষয়ক নাগরিক সংগঠন রিভারাইন পিপলের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব। দুই দশক ধরে নদী নিয়ে লিখছেন, গবেষণা করছেন ও মানুষকে সংগঠিত করছেন। কর্মসূত্রে সাংবাদিকতা ও শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত। শেখ রোকন স্নাতক ও স্নাতোকত্তর সম্পন্ন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা ইউনিভার্সিটি থেকে পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকীয় নীতি এবং ভারতের সিকিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভারত-বাংলাদেশ পানি-সম্পর্ক বিষয়ে শর্টকোর্স সম্পন্ন করেছেন। নদী বিষয়ে তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিষয় নদী, নদী চিন্তা, মেঘনাপাড়ের সংকট ও সংগ্রাম, নদী প্রসঙ্গ, নথিবদ্ধ বড়াল। তিনি 'নদী' নামে বার্ষিকপত্রের সম্পাদক। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সারাবাংলার ডেপুটি এডিটর সন্দীপন বসু।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা: ২০১০ সালে আপনারা বাংলাদেশে প্রথম বিশ্ব নদী দিবস পালনে সূচনা করেছিলেন। সেই গল্পটা শুনতে চাই।

শেখ রোকন: এটা আমাদের জন্য একটা স্মরণীয় ঘটনা। কারণ ওইবছরই 'রিভারাইন পিপল' আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছিল। মূলত অনলাইনে আমাদের যোগাযোগ ছিল। বিশ্ব নদী দিবস পালন উপলক্ষে প্রথমবারের মতো আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সরাসরি একত্র হয়েছিলাম। ঢাকার বাইরেও রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন বিশ্ববদ্যালয়ে রিভারাইন পিপলের কমরেডরা একত্র হয়েছিলেন এবং নদী দিবস পালন করেছিলেন। এর পাশাপাশি আমরা রিভারাইন পিপলের পক্ষ থেকে বাংলা-ইংরেজি বিভিন্ন সংবাদপত্রে দিবসটি পালন নিয়ে যৌথ নিবন্ধ লিখি। পরের বছরও আমরা একই ধরনের কর্মসূচী গ্রহণ করি। ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপাসহ অন্যান্য পরিবেশবাদী সংগঠন দিবসটি পালন শুরু করে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা: এর বৈশ্বিক আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল?

শেখ রোকন: এই দিবসের প্রতিষ্ঠাতা কানাডিয়ান রিভার হিরো মার্ক অ্যাঞ্জেলোর সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া রাজ্যে দিবসটির সূচনা করেন এবং পরবর্তীতে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। ২০০৫ সালে জাতিসংঘ দিবসটি অনুসমর্থন করে। বাংলাদেশ থেকে সাড়া পেয়ে তিনি খুবই খুশি হয়েছিলেন। আমার মনে আছে, ফিরতি মেইলে বলেছিলেন, বাংলাদেশে নদী দিবসের কর্মসূচির প্রতি তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিশেষ মনোযোগ রাখবেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা: এই দিবসের প্রতিপাদ্যও আপনারা নির্ধারণ করেন?

শেখ রোকন: ২০১৯ সাল পর্যন্ত আমরা নির্ধারণ করতাম। তখন জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে আলাদা আলাদা প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হতো। এখন বৈশ্বিকভাবে নদী দিবসের উদ্যোক্তারা প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়। ২০১০ সালেই সেপ্টেম্বর মাসের আগে এ ব্যাপারে যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম তখন প্রশ্ন জাগলো দিবসটির প্রতিপাদ্য কী? আবার যোগাযোগ করলে মার্ক অ্যাঞ্জেলো আমাকে জানালেন বিশ্ব নদী দিবসের কোনও বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য নেই। অঞ্চল বা দেশভেদে আলাদা প্রতিপাদ্য হতে পারে। মার্ক অ্যাঞ্জেলো আমাদের, রিভারাইন পিপলকে নদী দিবসের বাংলাদেশ প্রতিপাদ্য নির্ধারণের দায়িত্ব দিয়ে বলেছিলেন, আমরা যেন দেশীয় প্রেক্ষিতে একটি প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করে তাকে জানিয়ে দেই। আমরা প্রথম প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছিলাম- 'নদীরা ডাকছে, আমরা সাড়া দেব না?'

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা: সরকারি সংস্থাগুলো দিবসটি পালন করে না?

শেখ রোকন: প্রথম দিকে ছিল না। আমার মনে আছে, তৎকালীন পানিসম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন বরং বলেছিলেন- রিভারাইন পিপল না আসলে আমরা নদী দিবস সম্পর্কে জানবো কীভাবে? এখন তো সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে দিবসটি পালন হচ্ছে বেশ সাড়ম্বরে। ২০১৪ সালে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন গঠন হওয়ার পর এই প্রবণতা আরও বেড়েছে। কমিশন বেসরকারি সংগঠনগুলোর সঙ্গে যৌথ অনুষ্ঠান করেছে গত কয়েকবছর। এবার তারা নিজেরাই আয়োজন করেছে, জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধিও যোগ দিচ্ছেন, আমন্ত্রণপত্রে দেখেছি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা: আবার এসেছে বিশ্ব নদী দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য কী?

শেখ রোকন: বিশ্ব নদী দিবস উদযাপনের জন্য কানাডায় একটি বৈশ্বিক সমন্বয়কেন্দ্র রয়েছে। দিবসটির প্রবক্তা কানাডিয়ান অধ্যাপক ও নদীযোদ্ধা মার্ক অ্যাঞ্জেলোর নেতৃত্বে। সেখান থেকে আমাদের আগেই জানানো হয়েছিল যে এবারও গতবারেরর প্রতিপাদ্যই বহাল থাকছে- 'ওয়াটারওয়েজ ইন আওয়ার কমিউনিটিজ'। বাংলায় বলা যায়- আমাদের সামষ্টিক জীবনে নদীপথের গুরুত্ব।

সারাবাংলা: বাংলাদেশে এই প্রতিপাদ্যের তাৎপর্য কী?

শেখ রোকন: আমি তো মনে করি, বাংলাদেশেই এর তাৎপর্য সবচেয়ে বেশি। আমাদের সামষ্টিক জীবন তথা সভ্যতা, সংস্কৃতি, জীবন, জীবিকা, প্রতিবেশ, পরিবেশ গড়ে উঠেছিল নদীর আশীর্বাদে। সেই নদীগুলোই আমরা মেরে ফেলছি। আর এবারের প্রতিপাদ্যে বিশেষভাবে যে নদীপথের কথা বলা হয়েছে, সেটা দেখলেই আমাদের নদীবিরোধী অবস্থান স্পষ্ট হয়। যেমন স্বাধীনতার পর পরিচালিত জরিপের তথ্যানুসারে দেশে নৌপথের দৈর্ঘ্য ছিল কমবেশি ২৪ হাজার কিলোমিটার। এখন সেটা বর্ষা মৌসুমেই ৬ হাজার কিলোমিটারের নিচে নেমে আসে। শুকনো মৌসুমে আরও কমে ৪ হাজার কিলোমিটারের নিচে নামে।

সারাবাংলা: নৌপথ হ্রাস পাওয়ার সঙ্গে নদ-নদীর সার্বিক পরিস্থিতির সম্পর্ক রয়েছে?

শেখ রোকন: নিশ্চয়ই রয়েছে। নদীপথ মানে নাব্যতার বিষয়, নদীতে পর্যাপ্ত প্রবাহ থাকার বিষয়। ফলে নৌপথ কতখানি সচল আছে, সেটা প্রমাণ করে কতখানি নদী স্রোতস্বিনী রয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় সব নদীই যেহেতু প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বা চূড়ান্তভাবে আন্তঃসীমান্ত নদীর ওপর নির্ভরশীল। নৌপথ সচল থাকলে আমরা বুঝতে পারি, ওই নদীর উজানে পানি প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। নদীতে ড্যাম বা ব্যারাজের মতো স্থাপনা থাকলে নৌ চলাচল করতে পারে না। তার মানে, সচল নদীপথ মানে স্বাস্থ্যকর নদী। সেখানকে অপরিকল্পিত সেতুও নেই। আর নৌপথ সচল থাকা মানে প্রমাণ করে যে, নদীটি এখনও ভরাট হয়ে যায়নি। নদী যদি ভরাট হয়, এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে বন্যা মৌসুমের আগে ও পরে ভাঙণ দেখা দেবে। আর নদী গভীর বা নাব্য থাকার অর্থ হলো, সেই নদীতে ভাঙন কম হবে। তার মানে, সচল নৌপথ হচ্ছে ভাঙনের বিপর্যয়মুক্ত নদী। এছাড়া নৌপথ সচল থাকার অর্থ হলো, সেই নদী দখলে সংকুচিত হয়ে যায়নি।

নদীর সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা আশঙ্কার কারণ: শেখ রোকন

সারাবাংলা: তার মানে আমরা সচল নৌপথ দিয়ে দখল ও দূষণমুক্ত নদী পরিমাপ করতে পারি?

শেখ রোকন: নৌপথ সচল থাকা মানে অবশ্যই দখলমুক্ত, নাব্য, ভরাট, ড্যাম ও ব্যারাজ, অপরিকল্পিত সেতুমুক্ত নদী। কিন্তু এতে করে দূষণমুক্ত নদীর নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। আপনি দেখবেন- বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা দেশের অন্যতম প্রধান দূষিত নদী। কিন্তু এগুলো একইসঙ্গে সচল ও ব্যস্ততম নৌপথ। এটা বলতে পারেন যে, নৌপথ সচল থাকলে নদীর অর্ধেক সমস্যা সমাধান। বাকি অর্ধেক নির্ভর করবে নদীটি দূষণমুক্ত নদী কি-না। নদী দূষণমুক্ত না হলে, এর অন্যান্য উপযোগিতা, যেমন সুপেয় পানি হিসেবে ব্যবহার, সেচ ও গৃহস্থালী কাজে ব্যবহার, শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার সম্ভব হবে না। মাত্রাতিরিক্ত দূষিত নদীতে মৎস্যসম্পদও থাকবে না। দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের নদীগুলো সবদিক থেকে মরে যাচ্ছে। যেমন নৌপথ হিসেবে, তেমনই সুপেয় পানির আধার হিসেবে।

সারাবাংলা: দেশের নদী রক্ষার জন্য আর কী করতে হবে?

শেখ রোকন: নৌপথ হিসেবে সচল রাখার গুরুত্ব এবং দূষণমুক্ত রাখার কথা তো বললামই। এর বাইরে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো নির্বিচার বালু উত্তোলন বন্ধ করা। এটা এখন দেশের নদ-নদীর একক বৃহত্তম সংকট। এর ফলে নদীগুলোর কাঠামো বিনষ্ট হচ্ছে, মৎস্যসম্পদের আবাস ও প্রজনন ধ্বংস হচ্ছে। একটি শ্রেণী নদীর বালু লুটপাট করার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

সারাবাংলা: আমাদের দেশের মানুষ নদীর প্রতি এতটা বিরূপ হয়ে উঠলো কেন?

শেখ রোকন: এর প্রধান কারণ সাংস্কৃতিক বিমূখতা, সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা। নদী যে আমাদের সমাজ ও সভ্যতার গুরত্বপূর্ণ অংশ, সেটা মনে রাখার জন্য নদীর সঙ্গে সাংস্কৃতিক ঘনিষ্ঠতা জরুরি। সেই ঘনিষ্ঠতা বিনষ্ট হয়ে গেছে। ফলে নদী মরে গেলে, নদী দখল ও দূষণ হলে আমাদের বেশিরভাগ মানুষের কিছু যায় আসে না।

সারাবাংলা: আপনি বলছেন নদীর সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা ঘটেছে। কিন্তু এখনও বাংলাদেশের সঙ্গীত, সাহিত্য, চলচ্চিত্রে নদীর বেশ জোরালো উপস্থিতি রয়েছে।

শেখ রোকন: এগুলো নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক উপাদান। এর সঙ্গে আপনি নদীকেন্দ্রীক মেলা বা নৌকাবাইচও যোগ করতে পারেন। কিন্তু শুধু গান-বাজনা দিয়ে নদীর সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা ঘোচানো যাবে না। মরে যাওয়া নদীর জন্য হাহাকার দিয়েও শিল্প-সাহিত্য হতে পারে। কিন্তু সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা কাটানোর জন্য প্রয়োজন জীবন্ত, সচল, স্বাস্থ্যবান নদী।

সারাবাংলা: সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা কাটানোর উপায় তাহলে কী?

শেখ রোকন: সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা কাটাতে হলে নদীর অর্থনৈতিক গুরুত্ব ফিরিয়ে আনতে হবে। দৈনন্দিন জীবনে নদীর গুরুত্ব ফিরিয়ে আনতে হবে। তাহলে মানুষ নদীর সঙ্গে সাংস্কৃতিক ও ব্যবহারিক দিক থেকে একাত্ম বোধ করবে এবং নদীকে বিনষ্ট হতে দেবে না, বিনষ্ট করতে দেবে না। আপনাকে একটা উদাহরণ দেই। বাড়ির পাশের ছোট্ট রাস্তাটাও কি আপনি কাউকে দখল বা বিনষ্ট করতে দেবেন? বিনষ্ট বা দখল হতে দেখলে প্রশাসনের জন্য বসে থাকবে গ্রামবাসী? তারা সঙ্গে সঙ্গে এক হয়ে প্রতিরোধ করবে। কারণ সড়ক বা রাস্তাটি তাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজন হয়। একইভাবে নদী যখন দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজন হবে, তখন আর কেউ নষ্ট হতে দেবে না। এজন্য মৎস্যসম্পদ, সুপেয় পানি, সেচ, নৌপথ, চিত্তবিনোদনের মাধ্যম হিসেবে নদীগুলোকে টিকিয়ে রাখতে হবে।

সারাবাংলা: এক্ষেত্রে নদী দিবসের মতো আয়োজনের গুরুত্ব কী? বাংলাদেশে কী উদ্দেশ্য নিয়ে দিবসটি পালন শুরু করেছিলেন?

শেখ রোকন: দেখুন, যে কোনও দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো ওই বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো, অঙ্গীকার শানিত করা। আমরা যেহেতু নদী নিয়ে কাজ করি, আমরা চেয়েছি নদীর ব্যাপারে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এবং নদীর প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার শানিত করতে। সেই লক্ষ্য থেকেই আমরা খুঁজছিলাম যে নদীবিষয়ক কোনও দিবস আছে কি-না। তখন আমরা এই বিশ্ব নদী দিবসের খোঁজ পাই এবং এর মূল আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশে উদযাপন শুরু করি।

সারাবাংলা: সেই উদ্দেশ্য কি পূরণ হয়েছে?

শেখ রোকন: আমি মনে করি হয়েছে। যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা নদী দিবস উদযাপন শুরু করেছিলাম, তা সার্থক হয়েছে। এখন সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয় নদী দিবস পালন করছে। সংবাদমাধ্যমে বিশেষ আয়োজন হচ্ছে। ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে নদী দিবস পালিত হবে- এটাই তো আমরা চেয়েছিলাম। এজন্য আমি রিভারাইন পিপলের সহযোদ্ধাদের কাছে, পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর কাছে, সংবাদমাধ্যমের কাছে কৃতজ্ঞ। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সাধুবাদ জানাই, তারা একটি বেসরকারি দিবস পালনে এগিয়ে এসেছে।

সারাবাংলা: আপনাকে ও আপনার সহকর্মীদের অভিনন্দন। সরকারি কোনও পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া একটি দিবস উদযাপন সাফল্যের সঙ্গে চালু করতে পারা বড় ব্যাপার।

শেখ রোকন: আপনাকে ও সারাবাংলাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

সারাবাংলা/এসবিডিই/এএসজি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন