বিজ্ঞাপন

চাপের মুখে ব্যাট করতেই ভালো লাগে আফিফের

September 26, 2022 | 1:38 pm

স্পোর্টস ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশ জিতেছে ৭ রানে। তবে আমিরাতকে হারাতেই ঘাম ছুটে গেছে বাংলাদেশ দলের। ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থ টাইগারদের টপ অর্ডার, আর উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রেখে ৫৫ বলে ৭৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহ এনে দেনে আফিফ হোসেন। আর এই ম্যাচ জেতানো ইনিংসের পর পেয়ে যান ম্যাচসেরার পুরস্কারও।

বিজ্ঞাপন

মেহেদি হাসান মিরাজ এবং সাব্বির রহমানকে নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি এবারেও ব্যর্থ। এরপর দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন অভিজ্ঞ লিটন দাসও। পাওয়ার প্লে’র মধ্যে সাজঘরে প্রথম তিন ব্যাটার। দলীয় পঞ্চাশ হওয়ার আগে ফিরে গেলেন আরও একজন। অল্পেই চার উইকেট হারিয়ে আরব আমিরাতের বিপক্ষে শুরুতেই কঠিন চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর দলের হাল ধরেন আফিফ হোসেন।

আফিফের দুর্দান্ত ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৫৮

বিজ্ঞাপন

টপ অর্ডারের পর মিডল অর্ডারও ব্যর্থ বাংলাদেশের। ইয়াসির আলী রাব্বির পর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও ফিরলেন দ্রুতই। ১১ ওভারে মাত্র ৭৭ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে এরপর অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে বাংলাদেশের রেকর্ড ৮১ রানের জুটি গড়েন আফিফ। তাতেই ১৫৮ রানের পুঁজি বাংলাদেশের। শেষ পর্যন্ত আরব আমিরাতকে ১৫১ রানে অলআউট করে ৭ রানের জয় পেলেও নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছিল টিম টাইগার্সের।

অনুমেয়ভাবেই ম্যাচসেরার পুরষ্কার উঠেছে আফিফ হোসেনের ঝুলিতে। পুরষ্কার নেওয়ার পর আফিফ বলেন চাপের মুখে খেলতে তিনি উপভোগ করেন। আফিফ বলেন, 'সবসময় চাপের মুখে ব্যাটিং করতে ভালো লাগে। আমি শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করতে চেয়েছিলাম, সফল হওয়ায় ভালো লাগছে।’

বিজ্ঞাপন

আমিরাতের বিপক্ষে জিততে ঘাম ছুটেছে বাংলাদেশের

অধিনায়ক সাকিব আল হাসান নেই, তামিম ইকবাল এবং মুশফিকুর রহিম এই ফরম্যাট থেকে নিয়েছেন অবসর আর দলে জায়গা হয়নি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদেরও। তাই তো এই দলে লিটন দাসের পর সবচেয়ে অভিজ্ঞ আফিফই। তাই বাড়তি চাপ থাকতেই পারে তার কাঁধে। কিন্তু কোনো চাপই মনে করছেন না এই টাইগার ব্যাটার। আফিফ বলেন, 'কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড় না থাকলেও আমাদের ওপর বাড়তি চাপ নেই। আমাদের সবসময় সেরা একাদশই খেলাতে হবে। আশা করি পরের ম্যাচেও আমি রান করতে পারবো।'

বিজ্ঞাপন

আফিফ আরও বলেন, ‘শুরুতে উইকেট একটু কঠিন ছিল। বল গ্রিপ হচ্ছিল। টপঅর্ডার ভালো করতে পারিনি, পরের ম্যাচে ইনশাআল্লাহ করবে। এটা সমস্যা না। আমি আর সোহান ভাই ব্যাট করার সময় আস্তে আস্তে উইকেট ভালো হচ্ছিলো দেখে আমরা আরও ভালো ব্যাটিং করতে পেরেছি। আমার লক্ষ্য থাকে উইকেট পড়ে গেলেও স্ট্রাইক রোটেট করি আর বাউন্ডারির জন্য করি। আজও ভিন্ন কিছু হয়নি। আজও গেম প্ল্যান অনুযায়ী চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয় উইকেট অনুযায়ী শেষদিকে রান ঠিক ছিল।'

সারাবাংলা/এসএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন