বিজ্ঞাপন

‘জি-২০ সামিটে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানাবে ভারত’

November 8, 2022 | 10:44 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: ডিসেম্বরের শুরুতে ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বের শক্তিশালী অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০ সম্মেলনে আমন্ত্রণ পাচ্ছে বাংলাদেশও। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত জি-২০ সামিটে সভাপতিত্ব করবে ভারত।

বিজ্ঞাপন

জি-২০ সামিটকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘এক বিশ্ব, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক থিম ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেছেন। সেইসঙ্গে উদ্বোধন করা হয়েছে লোগো এবং ওয়েবসাইটও।

মঙ্গলবার বিকেলে ভারতের সহকারী হাই কমিশনারের কার্যালয় থেকে নগরীর সাইডার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

‘জি-২০ সামিটে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানাবে ভারত’

অনুষ্ঠানের পর আমন্ত্রিত সুধীজনদের উদ্দেশে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই কমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, ‘জি-২০ সামিট ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়া মানে ভারতবাসীর জন্য একটি অভূতপূর্ব, ঐতিহাসিক এবং মহান গর্বের বিষয়। ১ ডিসেম্বর থেকে বছরব্যাপী এই আয়োজন চলবে। ২০২৩ সালের ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে, যাতে সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানরা যোগ দেবেন। ভারতের ৭৫ বছর পূর্তিতে সকল ভারতবাসীর জন্য এটা বড় গর্বের এবং আনন্দের।’

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা জেনে খুশি হবেন, ভারত বাংলাদেশকেও এই আয়োজনে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ভারতের লক্ষ্য হচ্ছে পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে যুক্ত করে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সুরক্ষিত করা। জি-২০ দেশগুলো বিশ্বব্যাপী জিডিপির ৮৫ শতাংশ উপস্থাপন করে। বিশ্ববাণিজ্যের ৭৫ শতাংশেরও বেশি এবং বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ উপস্থাপন করে।’

‘এবারের আর্থিক খাতে যেসব বিষয়কে ফোকাস করা হবে সেগুলো হচ্ছে- বৈশ্বিক ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক নীতি, অবকাঠামো খাতে অর্থায়ন, স্থাপত্যে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন, টেকসই আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি, স্বাস্থ্যখাতে অর্থায়ন, আন্তর্জাতিক ওষুধ নীতি এবং আর্থিক খাতের সংস্কার। এক্ষেত্রে জি-২০ সদস্য দেশগুলোর অর্থ মন্ত্রণালয় ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক একসঙ্গে কাজ করবে। দুর্নীতি বিরোধী, ডিজিটাল অর্থনীতি, অবকাঠামো, কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, কর্মসংস্থানের উপর সামিটের দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

বিশ্বের পঞ্চম অর্থনীতির দেশ হিসেবে ভারত তাদের নীতিগুলোকে বৈশ্বিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে চায় বলে মন্তব্য করেন রাজীব রঞ্জন।

সারাবাংলা/আরডি/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন