বিজ্ঞাপন

ছিনিয়ে নেওয়া ২ জঙ্গিকে মোটা অংকের টাকা দেন অমি

November 24, 2022 | 3:11 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ঢাকার আদালত পাড়া থেকে জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি (২৪) মোটা অংকের টাকা এনেছিলেন। এই টাকা ছিনিয়ে নেওয়া জঙ্গিদের হাতে দেন তিনি। যাতে করে জঙ্গিরা টাকা-পয়সা দিয়ে তাদের পরবর্তী কার্যক্রম চালাতে পারেন।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেফতার মেহেদী হাসান ঘটনার দিন মোটা অংকের টাকা নিয়ে আদালতে আসেন। তিনি আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিলেন, ছিনিয়ে নেওয়ার পর জঙ্গিদের হাতে টাকা দেবেন।’

বিজ্ঞাপন

সিটিটিসি প্রধান বলেন, ‘জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি। অমি নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার-আল-ইসলামের শীর্ষ নেতা বরখাস্তকৃত মেজর জিয়ার সঙ্গে সমন্বয়ের পর সংগঠনের আসকরি শাখার সদস্যদের রিক্রুট করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাদের মধ্যে ছিনতাইকৃত পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গি আসামি মইনুল হাসান শামিম ওরফে সিফাত ওরফে সামির ওরফে ইমরান এবং মামলার এজাহার নামীয় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গি আসামি মোজাম্মেল হোসেন ওরফে সাইমন, যার সাংগঠনিক নাম শাহরিয়ার। গ্রেফতার মেহেদী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতা এবং বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার আসামিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতেন।’

বিজ্ঞাপন

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘গ্রেফতার মেহেদীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার-আল-ইসলামের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নির্দেশে ঢাকার সিএমএম আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিদের ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়।’

‘গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান জঙ্গি আসামিদের বিচারাধীন মামলায় নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেওয়ার সময় অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন এবং তাদের সংগঠনের পরিকল্পনার কথা জানাতেন। সংগঠনের পূর্বপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ২০ নভেম্বর গ্রেফতার মেহেদী হাসান ঢাকার সিএমএম আদালত জঙ্গিদের ছিনতাইয়ের ঘটনায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে তাদের পালাতে যেতে সহযোগিতা করেন।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৬ সালে মোহাম্মদপুর, সূত্রাপুর এবং বাড্ডা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তিনটি মামলা হয়। এছাড়াও ২০১০ এবং ২০১২ সালে সিলেট কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দুটি মামলা রয়েছে।’

সারাবাংলা/ইউজে/এনএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন