বিজ্ঞাপন

‘মাঠ পার হয়ে আরও ১০ গুণ মানুষ বাইরে থাকবে’

December 3, 2022 | 2:33 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় পলোগ্রাউন্ড মাঠ পূর্ণ হয়ে বাইরে আরও দশগুণ মানুষ থাকবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে জনসভার সর্বশেষ প্রস্তুতি পরিদর্শনে গিয়ে তিনি একথা বলেন। আগামীকাল (রোববার) এই ময়দানে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জনসভা হবে, সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দলটির সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে চট্টগ্রামে ব্যাপক সাড়া জেগেছে, মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক বড় মাঠ, এখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু জনসভা করেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনাও জনসভা করেছেন। কানায় কানায় পূর্ণ জনসভা হয়েছে। অতীতেও মাঠ ছাড়িয়ে মানুষ বাইরে দাঁড়িয়েছে। আমরা যেভাবে সাড়া দেখতে পাচ্ছি, এবার মাঠের তুলনায় আট-দশগুণ বেশি মানুষ মাঠের বাইরে থাকতে হবে।

বিজ্ঞাপন

জনসভায় আওয়ামী লীগ দেশবাসীকে কী বার্তা দিতে চায়, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা যেহেতু জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠন করেছি, জনগণের সামনে হাজির হওয়া আমাদের দায়িত্ব। দেশ আগে কোথায় ছিল, এখন কোথায় গেছে, আমরা জনগণের জন্য কি করেছি, দেশকে আমরা কোথায় নিয়ে যেতে চাই - এগুলো জনগণের সামনে উপস্থাপন করা আমাদের দায়িত্ব। শেখ হাসিনা জনগণের নেত্রী, তিনি সেই কথাগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরবেন।’

‘আওয়ামী লীগ হচ্ছে গণমানুষের দল, আমরা জনগণের জন্যই কাজ করি। প্রধানমন্ত্রী গত ১৪ বছরে বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছেন। বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশে উন্নীত হয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয় পাকিস্তানকে তো বহু আগেই ছাড়িয়েছে, ভারতেকেও ছাড়িয়ে গেছে। চট্টগ্রামে জনসভার আগে প্রধানমন্ত্রী অনেকগুলো উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন করবেন।’

বিজ্ঞাপন

নয়াপল্টনে সমাবেশ নিয়ে বিএনপির অনড় অবস্থান প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আসলে তাদের উদ্দেশ্য জনসভা নয়, দেশে একটা গণ্ডগোল লাগানো এবং দেশকে অস্থিতিশীল করা। তাদের আবেদন অনুযায়ী সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেয়া হয়। সেখানে না গিয়ে নয়াপল্টনে জনসভা হবে- এটি বারবার ঘোষণা দেওয়ার অর্থ হচ্ছে দেশে একটি গণ্ডগোল লাগানো, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যেই তারা এটি বলছে। সরকার দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য কাউকে অনুমতি ও লাইসেন্স দিতে পারে না। বিশৃঙ্খলা আমরা হতে দেব না।’

‘বিএনপি স্লোগান দেয়- টেক ব্যাক বাংলাদেশ অর্থাৎ বাংলাদেশকে পিছনে নিয়ে যাও। আবার বাংলা ভাই, শায়খ আবদুর রহমানের জমানায় নিয়ে যাও। আবার হাওয়া ভবন ও খোয়াব ভবন সৃষ্টি কর, ৫০০ জায়গায় বোমা ফোটাও, দুর্নীতিতে দেশকে পরপর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন বানাও। আমরা বাংলাদেশকে পিছনে নিয়ে যেতে পারি না। স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিএনপি। তাদের হাতে আমরা দেশ তুলে দিতে পারি না।’

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহম্মদ ও সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমান, নগর কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, উত্তর জেলার সভাপতি এম এ সালাম ও সাধারন সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিম পেয়ারুল ইসলাম তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

সারাবাংলা/আরডি/ইআ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন