বিজ্ঞাপন

৪ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৯৯ হাজার কোটি টাকা

December 6, 2022 | 9:16 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় কমার ধারাবাহিক নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৫৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। রফতানি আয়ের চেয়ে আমদানি ব্যয় বেশি হওয়ায় এই বাণিজ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৯৮ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যের (ব্যালান্স অব পেমেন্ট) এ তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) দুই হাজার ৫৫০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। একই সময়ে আমদানির বিপরীতে রফতানি হয়েছে মাত্র এক হাজার ৫৯১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের পণ্য। ফলে এই সময়ে আমদানি ও রফতানির হিসাবে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৯৫৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, অক্টোবর মাসে শেষে সেবা খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে ২৯৭ কোটি। অন্যদিকে সেবা খাতে ব্যয় হয়েছে ৪৩৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। এ খাতের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৩৬ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে সেবা খাতের বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৯৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে চলতি হিসাবের ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৫০ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে একই সময়ে এ ঘাটতি ছিল ৩৮৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের চেয়ে চলতি অর্থবছরের ৪ মাসে চলতি হিসাবের ঘাটতি বেড়েছে ৬৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে ৮৭৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার। বিপরীতে গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলো ৮৬০ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। সে তুলনায় প্রথম পাঁচ মাসে ১৮ কোটি ৪১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স বেড়েছে। একক মাসে হিসেবে নভেম্বরে আগের দুই মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে। মাসটিতে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৯ কোটি ৪৭ লাখ ডলার।

অন্যদিকে, পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ নিশ্চিতে আমদানিতে সর্বোচ্চ সহায়তা করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য ব্যাংকগুলোকে নিত্যপণ্যের (ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল, পেঁয়াজ, খেজুর, ফলমূল এবং চিনিসহ অন্যান্য পণ্য) এলসি সহজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অপ্রয়োজনীয় এলসি খোলা বন্ধ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/জিএস/এনইউ

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন