বিজ্ঞাপন

পদোন্নতি দিয়ে ‘ডিজি’র দৌড়ে এগিয়ে রাখতে রেলমন্ত্রীর সুপারিশ!

December 7, 2022 | 10:08 pm

ঝর্ণা রায়, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: অবসরের সময় ঘনিয়ে আসায় বর্তমান মহাপরিচালকের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ডিসেম্বরে। সেই হিসাবে ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার বিদায় নেবেন শিগগিরই। আর সে কারণে নতুন ডিজি হতে দৌড়-ঝাঁপ শুরু করেছেন সিনিয়র কর্মকর্তারা। পদ পেতে একজন আরেকজনকে হেয় করা থেকে শুরু করে মিথ্যার আশ্রয়ও নিচ্ছেন কেউ কেউ। এমনকি পছন্দের কর্মকর্তার জন্য খোদ রেলমন্ত্রীর সুপারিশের বিষয়ও সামনে এসেছে। এছাড়া এই পদে যেতে অতীতে আর্থিক লেনদেন, সহকর্মীর পদোন্নতি ঠেকানোর ঘটনাও ঘটেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, বাংলাদেশ রেলওয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের জন্য এত স্বল্প মেয়াদে ডিজি নিয়োগ যথেষ্ঠ নয় বলে উল্লেখ করেছেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এতে রেলওয়ের সুদূর প্রসারী উন্নয়ন ব্যহত হয়। সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো অন্তত পাঁচ বছর মেয়াদে ডিজি নিয়োগ দেওয়ার পরামর্শ তাদের।

উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে সারাবিশ্বে রেলকে বিবেচনা করা হয়। যে দেশ যত বেশি উন্নত, সে দেশের রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা ও তার ব্যবস্থাপনা তত উন্নত। বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বড় গণপরিবহন খাত রেলওয়ে। স্বাধীনতার পর থেকে রেল খাত অনেকটাই অবহেলিত ছিল। বর্তমান সরকার রেলকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ২০১১ সালে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করে রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করে। পাশাপাশি এ খাতের উন্নয়নে প্রতিবছর প্রচুর অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়। যার বড় অংশই রেলের অবকাঠামো নির্মাণ কাজের জন্য। এখনো প্রায় অর্ধশত প্রকল্প চলমান। এত পদক্ষেপের পরেও রেল সেবার মান কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারেনি।

বিজ্ঞাপন

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রাণ ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে’। যে প্রতিষ্ঠান রেলের উন্নয়নে সম্মুখ ভূমিকা পালন করে। আর সেই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব নিয়েই বার বার প্রশ্ন ওঠে। বলা হয় রেলওয়েতে অব্যবস্থাপনা থাকার অন্যতম কারণ যোগ্য নেতৃত্বের অভাব। এমনকি বাংলাদেশ রেলওয়ের বর্তমান মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে তার মেয়াদের দুই বছরে রেল খাতে শৃঙ্খলা তো ফেরেইনি বরং সম্প্রতি শ্রমিকদের একটি অংশ তার কিছু সিদ্ধান্তে আন্দোলনে নেমেছে। এই অভিযোগ মাথায় নিয়েই চলতি ডিসেম্বরে বিদায় নিচ্ছেন তিনি। স্বাভাবিক কারণেই রেলওয়েতে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হবে।

রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী মহাপরিচালক বা ডিজি নিয়োগ দেওয়া হয় জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কিংবা সরকারের পছন্দ মতো রেলওয়ের মহাপরিচালক নির্বাচন করতে পারেন। এবার সে তালিকায় রয়েছেন তিন কর্মকর্তা। যারা বর্তমানে অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন রেলওয়ের বিভিন্ন বিভাগে। এদের মধ্যে দ্বিতীয় গ্রেড প্রাপ্তির হিসেবে প্রকৌশল ক্যাডারের জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা এডিজি (অবকাঠামো) কামরুল আহসান, বাণিজ্যিক ক্যাডারের জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা এডিজি (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী এবং তৃতীয় গ্রেডের যন্ত্র কৌশল বিভাগের এডিজি (রোলিং স্টক) মঞ্জুর উল আলম চৌধুরী। এই তিন জন কর্মকর্তা মহাপরিচালক হওয়ার তালিকায়। নিয়মানুযায়ী, দ্বিতীয় গ্রেডে থাকা কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে একজনকে মহাপরিচালক করার কথা। দ্বিতীয় গ্রেডে দুইজন কর্মকর্তা আছেনও। কিন্তু জেষ্ঠ্যতার দিক থেকে মঞ্জুর উল আলম চৌধুরীর গ্রেড-৩। ফলে বিপত্তি বেঁধেছে সেখানে। এই বিপত্তি দূর করে জেষ্ঠ্যতা বজায় রাখতেই রেলপথমন্ত্রী ওই কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে পাঠানো ওই চিঠিতে রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন লিখেছেন, ‘চিফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার (পশ্চিম) মো. মঞ্জুর উল আলম চৌধুরী (চলতি দায়িত্বে) অতিরিক্ত মহাপরিচালক - আরএস রেলওয়েতে কর্মরত একজন যন্ত্র কৌশল। তিনি ১০ম বিসিএসে রেলওয়ের দু’টি ক্যাডারে কর্মরত কর্মকর্তাদের মধ্যে পিএসসির মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকারী এবং বর্তমানে মহাপরিচালকের পর তিনিই জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা। সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড- এসএসবি ২০২০ সালের ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সভায় মো. মঞ্জুর-উল আলমকে গ্রেড-৩ এর ফিডার পদে ১ বছর ৫ মাস ১৩ দিন চাকরি অভিজ্ঞতার শর্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক পরিমার্জন সাপেক্ষে গ্রেড-২ এ পদোন্নতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। তাতে ওই বছরের ২৬ ডিসেম্বর সেই সুপারিশে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দেন। এর একদিন পরে ২৭ ডিসেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়। তিনি ২০২০ সাল থেকে দ্বিতীয় গ্রেডে অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করলেও বেতন ভাতার সুবিধা পান তৃতীয় গ্রেডের।’

মন্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘মঞ্জুর উল আলম চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারণকারী, সংস্কৃতিমনা একজন কর্মকর্তা। তিনি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের নিয়মিত গীতিকার। গান লিখেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নিয়েও। গীতিকার হিসেবে তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি একজন দক্ষ, মেধাবী ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তা।’ এই কর্মকর্তার পদোন্নতি না হওয়ায় রেলওয়ের জেষ্ঠ্যতা বিঘ্নিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। তিনি আরো লেখেন, ‘করোনাকালীন কেনাকাটায় এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হলেও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’ ওই কর্মকর্তাকে পদোন্নতি না দিয়ে তার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে উল্লেখ করে বিষয়টি পুনঃবিবেচনার জন্য বলা হয় চিঠিতে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, কর্মকর্তার পদোন্নতি নিয়ে রেলমন্ত্রীর এমন চিঠিকে নজিরবিহীন বলেছেন রেলওয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। আবার রয়েছে পক্ষে-বিপক্ষে মতামতও। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা সারাবাংলাকে জানান, সরকারি কর্মচারী (আচরন) বিধিমালা অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারী নিজের জন্য সুপারিশ করতে কোনো সংসদ সদস্য বা অন্য কোনো সরকারি কর্মকর্তার দারস্থ হতে পারেন না। তবে এর বিপক্ষেও মত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট আরেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘মন্ত্রী চাইলে কর্মকর্তার পক্ষে সুপারিশ করতেই পারেন।’

জানা যায়, মহাপরিচালক হওয়ার তালিকায় থাকা তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই কম-বেশি দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। করোনাকালীন রেলের যন্ত্রাংশ কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে রেলের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (আরএস) মঞ্জুর উল আলম এবং এডিজি (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলীর বিরুদ্ধে। রেলের যন্ত্রাংশ কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয় মোট ২১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এর মধ্যে এক নম্বরে মো. মঞ্জুর-উল- আলম চৌধুরীর নাম রয়েছে। দুই নম্বরে রয়েছে এডিজি (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলীর নাম। এছাড়া এডিজি (অবকাঠামো) কামরুল আহসানের বিরুদ্ধেও অভিযোগ শোনা গেছে। প্রধান প্রকৌশলী (পূর্ব) থাকাকালে দায়িত্ব অবহেলার কারণে সাবেক রেলমন্ত্রী তাকে ওএসডি করেছিলেন বলেও জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার রেলভবনের দফতরে গিয়ে অপেক্ষা করেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরে কথা বলার চেষ্টা করা হয় রেলওয়ের ডিজি হওয়ার তালিকায় থাকা ওই তিন কর্মকর্তার সঙ্গেও। এদের একজন রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (আরএস) মো. মঞ্জুর উল আলম চৌধুরীর। সারাবাংলাকে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ রেলওয়েতে আমার চাকরির বয়স ৩২ বছর। এর মধ্যে বিগত ২৯ বছর বাংলাদেশ রেলওয়ের মাঠ পর্যায়ে বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে সুনামের সঙ্গে কাজ করে এসেছি। কোনোদিন আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ওঠেনি। কিন্তু ২০২০ সালে দশম বিসিএস’এর মোস্ট সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে দ্বিতীয় গ্রেডে পদোন্নতির সময় থেকেই একটি কুচক্রী মহল আমার পদন্নোতি বিঘ্নিত করার জন্য গণমাধ্যমকে বিভ্রান্ত করাসহ অন্যান্য অপতৎপরতা চালাতে শুরু করে। যা এখনো চলমান। তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য যাতে আমি পদোন্নতি না পাই।’

তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে তা মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। রেলওয়ের কোনো কেনাকাটা আমি করিনি। যা কেনাকাটা হয়েছে তা চট্টগ্রামে। আমি শুধু আপদকালীন ক্রয় পরিকল্পনায় অনুমোদন দিয়েছি মাত্র।’ জানা গেছে, রেলের একটি পুড়ে যাওয়া ২৯৩৩ নম্বরের লোকোমোটিভ মঞ্জুর-উল আলমের উদ্যোগে মেরামত করে সচলের উপযোগী করা হয়। মুজিব শতবর্ষপূর্তি উদযাপনকে সামনে রেখে দেশের প্রথম রেলের কোচে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনা তারই উদ্যোগে নেওয়া হয়। এছাড়া দীর্ঘদিন অচল থাকা ডেমু ট্রেন তার উদ্যোগেই সচল করে সম্প্রতি যাত্রী চলাচলের জন্য রেলে যুক্ত করা হয়। যা এখন যাত্রী পরিবহন করছে।

আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ রেলওয়েতে মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয় জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে। বেশিরভাগ কর্মকর্তাই অবসরে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ডিজি হিসেবে নিয়োগ পেয়ে থাকেন। ফলে সর্বোচ্চ দুই বছরের বেশি কোনো মহাপরিচালককে দায়িত্বে থাকতে দেখা যায়নি। রেলওয়ের মতো এত বড় একটি প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বের মেয়াদ দুই বছর কম সময় বলে উল্লেখ করেছেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এতে করে রেলওয়ের দীর্ঘ মেয়াদী উন্নয়ন ব্যহত হয়।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এম শামসুল হক সারাবাংলাকে বলেন, ‘মন্ত্রী আসেন- মন্ত্রী যান, সচিব আসেন- সচিব যান; কিন্তু ইনস্টিটিউশনাল দর্শনগুলো ক্যারিওভার করে। সেজন্য অন্যান্য দেশে তরুণদের প্রজেক্ট পরিচালক নিয়োগ দেওয়া। কিন্তু আমাদের এখানকার সিস্টেমে সিনিয়রদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। যাদের মধ্যে কেউ কেউ নিয়োগ পাওয়ার পর ছয় মাস অবসরে চলে যান। এর পরে যিনি লাইনে থাকে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে উন্নয়ন সময় মতো শেষ হয় না। এটাও একটা বড় প্রতিবন্ধকতা।’ তিনি দীর্ঘ মেয়াদে কর্মকর্তা নিয়োগের ব্যাপারে মত দেন। ড. শামসুল হক বলেন, ‘আমি শুধু রেলওয়ের ডিজির ক্ষেত্রেই বলব না, উন্নয়নের এত পথ পাড়ি দেওয়ার পর অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। সামনে যেন আর এ ধরনের পুনরাবৃত্তি না হয়। কোথায় কোথায় আমাদের ধারাবাহিকতা রাখতে হবে- সেগুলোর সিলেকশন ক্রাইটেরিয়া ঠিক করা উচিত।’

এ প্রসঙ্গে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর সারাবাংলাকে বলেন, ‘রেলওয়ের ডিজির মেয়াদ অবশ্যই আরও বেশি হওয়া উচিত। কিন্তু রেলওয়ের বর্তমান যে নিয়োগ কাঠামো সেখানে এখনই তা সম্ভব নয়। তাতে করে জেষ্ঠ্যতা লঙ্ঘন হয়। তবে সামনে আমাদের একটি ধারাবাহিকতা রয়েছে। তাতে আগামী চার/পাঁচ বছর পর যে সকল কর্মকর্তা রেলওয়ের ডিজি হবেন তারা কমপক্ষে তিন/পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন।’

আগামী ১১ ডিসেম্বর রেলওয়ের বর্তমান মহাপরিচালক বিদায় নেবেন। নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ প্রসঙ্গে সচিব বলেন, ‘বৃহস্পতিবারের (৮ ডিসেম্বরে) মধ্যেই নিয়োগ সম্পন্ন হবে। নতুন ডিজি যিনি হবেন তিনি রোববার দায়িত্ব নেবেন।’

সারাবাংলা/জেআর/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন